২১শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

শালিখায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে নিহত- ৪।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি:

 

মাগুরার শালিখায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ঘটনাস্থলে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে যাত্রীবাহী বাস ঢাকা মেট্রো ব ১৪-১১৪৬ যশোর থেকে মাগুরা উদ্দেশ্যে ছেড়ে শালিখা উপজেলার রামকান্তপুর নামক স্থানে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, শালিখা উপজেলার শতখালি গ্রামের আনসার সরদারের মেয়ে নাজমা খাতুন ( ৩০) একই উপজেলার দীঘল গ্রামের বারিক বিশ্বাসের স্ত্রী ছহিরণ বেগম (৫৫) শতখালি গ্রামের মুনতাজ বিশ্বাসের ছেলে সজীব বিশ্বাস(১৪) এবং গাড়িরটির হেলপার মামুন মিয়া। ঘটনাটা শোনামাত্রই শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মো: বাতেন,শালিখা থানা অফিসার ইনচার্জ হোসেন আল মাহবুবসহ পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মাগুরা ফায়ার সার্ভিসের উপ -পরিচালক মাসুদ সরদারের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ২ ঘণ্টা চেষ্টা করে নিহতদের উদ্ধার করে। মাগুরা হাইওয় থানার অফিসার ইনচার্জ লিয়াকত হোসেন বলেন, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে ঘটনাস্থলে ৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মাগুরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি