২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

শার্শায় প্রেম ঘটিত কারণে যুবককে কুপিয়ে ও হাতুড়ি পেটা করে হত্যার প্রচেষ্টা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মেহেদী হাসান শার্শা প্রতিনিধিঃ

যশোরের শার্শায় প্রেম ঘটিত কারণে হাবিবুর রহমান প্লাবন (১৮) নামে যুবককে কুপিয়ে যখম করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ৬ সেপ্টেম্বর সোমবার রাতে উপজেলার কন্দর্পপুর গ্রামে।
জানা যায়, শার্শা উপজেলার কন্দর্পপুর গ্রামের রকিব উদ্দিন এর স্কুল পড়ুয়া মেয়ে রাজিয়া সুলতানার সাথে একই উপজেলার চান্দুড়িয়ার ঘোপ গ্রামের (স্বস্তি ডাঙ্গাপড়ার) তাইজুল ইসলামের ছেলে হাবিবুর রহমান প্লাবন এর প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। তারা দু’জনই গোড়পাড়া মাধ্যমিক বিদ‍্যালয়র ১০ম শ্রেণিতে পড়ে। বিষয়টি রাজিয়া সুলতানার পিতা রকিব উদ্দিন জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। কৌশলে ঘটনার দিন হাবিবুর রহমান প্লাবনকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে গোপন একটি ঘরে আটকে রেখে সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পযর্ন্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত যখম করে। পরে খবর পেয়ে হাবিবুর রহমান প্লাবন বন্ধুরা তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে ৫দিন চিকিৎসা শেষে জীবন যুদ্ধে জয়ী হয়ে বাড়িতে ফিরেছে প্লাবন।
এব‍্যাপারে প্লাবনের পিতা তাইজুল ইসলাম জানান, আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্য বাড়িতে আটকে রেখে অমানুষিক ভাবে নির্যাতন চালিয়েছে রকিব। আমি থানায় অভিযোগ করেছি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক রকিব উদ্দিনের শাস্তির দাবি জানায়।
এ ব‍্যাপারে মেয়ের পিতা অভিযুক্ত রকিব উদ্দিনের নিকট বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার মেয়েকে বিরক্ত করার কারণে আমি প্লাবন এবং তার বন্ধুদের বাড়িতে ডেকে আমার মেয়েকে বিরক্তি না করার জন্য নিষেধ করেছি। আমি কোন মার-ধর করিনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি