১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

শাজাহানপুরে নেশা করতে না পারায় চুরি: আটক ২।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নাজিরুল ইসলাম, শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

বগুড়ার শাজাহানপুরে নেশা করতে না পারায় অবশেষে চুরি করতে গিয়ে চোরচক্রের ২ জনকে ধরে থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলো, খরনা ইউনিয়নের

জামাটা গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে মোস্তাফিজুর মন্ডল (৩২)। অপরজন হলো, বগুড়া শহরের সেউজগাড়ী এলাকার আব্দুর রহিম হোসেনের ছেলে সোহাগ মিয়া (২৬)।

জানাগেছে, আজ সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলার রহিমাবাদ দক্ষিণ পাড়ায় সোহরাব হোসেন মাস্টারের বাড়িতে দিন দুপুরে চুরি করতে গেলে মহল্লাবাসী আটক করে সামান্য উত্তম মাধ্যম দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে চোরদ্বয়কে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেন।

 

অপরদিকে আজ সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের যদ্দুবপুর এলাকাতেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়সূত্রে জানাযায়, যদ্দুবপুর গ্রামের বাদশা আকন্দের ছেলে ইলিয়াস সানির বাড়িতে রাতের আধারে সুরঙ্গ করে নগদ টাকাসহ স্বর্ণলঙ্কার ও ঘরের আসবাবপত্র চুরি হয়েছে। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভূক্তভোগী ইলিয়াস সানি।

 

এঘটনায় থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, নেশাখোর দুই চোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের মামলার প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও যেকোন এলাকায় চুরি রোধে সকলকেই সজাগ থাকতে হবে। পাশাপাশি থানা পুলিশকে তথ‍্য দিয়ে সহায়তা করতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি