১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

শাজাহানপুরে জাল টাকাসহ এক ব‍্যক্তি গ্রেফতার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ব‍্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য্য

নাজিরুল ইসলাম, বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার শাজাহানপুরে রাজু হোসেন (২৭) নামের এক ব‍্যক্তিকে জাল টাকাসহ গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

গত রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় উপজেলার সাজাপুর গ্রামাস্থ ঢাকা-বগুড়া সহাসড়কের পূর্ব পাশ্বে জব্বার হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট থেকে ২৩৫০০ টাকার জাল নোটসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব‍্যক্তি ময়মনসিংহ জেলার গৌরিপুর থানার নতুন বাজার গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।

হোটেলের ক‍্যাশিয়ার শফিকুল ইসলাম জানান, অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি রাত্রি অনুমান সোয়া ১১টায় হোটেলে প্রবেশ করে বেসিনে হাত মুখ ধুয়ে খাবার টেবিলে বসে ভাত ও গরুর মাংসের অর্ডার করে। হোটেলের কর্মচারীরা তাকে উল্লেখিত খাবারগুলো সরবরাহ করে। পরে খাওয়া-দাওয়া শেষে বিল বাবদ ১৭৫ টাকার রশিদ তার হাতে দেয়া হয়। এসময় তিনি তার পকেটে থাকা পাঁচশত টাকার একটি নতুন নোট আমার হাতে দিলে সঙ্গে সঙ্গে আমি নোটটি জাল বুঝতে পেরে তাকে ফেরত দেই। তখন সে নোটটি হাতে নিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে উপস্থিত জনতা তাকে ধরে ফেলে। এসময় তার পরনে কালো রঙের জিন্স প্যান্টের পকেটে থাকা ফ্রেশ মিনি টিস্যু প্যাকেট হতে আরও বেশ কিছু এক হাজার ও পাঁচশত টাকার নতুন নোট বের করে ছিড়ে ফেলার চেষ্টা করে। এতে এক হাজার টাকার পাঁচটি নোটের এবং পাঁচশত টাকার ১২টি নোটের বামপাশে উপেরর মাথায় সামান্য ছিড়ে যায়। তখন উত্তেজিত জনতা তাকে সামান্য উত্তম মাধ্যম দিয়ে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তাকে থানা হেফাজতে নেন।

পুলিশ জানান, গ্রেফতারকৃত ব‍্যক্তির কাছে এক হাজার টাকার ১৫টি জাল নোট যাহার একই সিরিজের নং খল ৪৭৬০২৩০ এবং ১৭টি পাঁচশত টাকার জাল নোটের মধ্যে ৮টি একই সিরিজের নং ছঠ ২৮৭৬৮৪১, ৪টি ছঠ ২৮৭৬৮৪২ এবং ৫টি ২৮৭৬৮৪৪ সিরিজ নং সহ মোট ২৩ হাজার পাঁচশত জাল টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

এবিষয়ে শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা নিয়ে আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্ররণ করা হয়েছে। এঘটনায় তাকে রিমান্ডের আবেদনও জানিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি