১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

শাজাহানপুরে করলা চাষে করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক সাহেব আলী।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নাজিরুল ইসলাম, শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার শাজাহানপুরে আড়িয়া ইউনিয়নে আবাদী জমিতে চল্লিশা জাতের করলা চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক সাহেব আলী।

সে মানিকদিপা উত্তরপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের বড় ছেলে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষক সাহেব আলী করলা জমির আগাছামুক্ত করতে নিড়ানি দিচ্ছেন। তিনি চলতি সবজির মৌসুমে এবার ২০ শতাংশ জমিতে চল্লিশা জাতের করলা চাষাবাদ করেছেন। গত ভাদ্র মাসের শুরুতে বীজ বোপণ করা হয়। নিয়মিত সেচ কীটনাশক স্প্রে ও সঠিকভাবে পরিচর্যার ফলে মাত্র চল্লিশ দিন পর থেকেই করলা বাজারে বিক্রি করতে শুরু করেন। প্রথম বারেই গত বৃহস্পতিবার ২০ কেজি করলা ৩৫ টাকা কেজি দরে ৭০০ টাকায় বিক্রি করেন। আগামী সোমবার দ্বিতীয় ধাপে আবারও প্রায় ১২০ কেজি করলা তুলে বিক্রি করবেন মর্মে জানান। এভাবেই যতদিন বৃদ্ধি পাবে ততই ফলন বৃদ্ধি পাবে। প্রতি সপ্তাহে দুই দিন করলা বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। এই মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বতর্মান বাজার মূল্য অপরিবর্তিত থাকলে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা করলা বিক্রি করতে পাবরেন এমন আশায় বুক বেধেঁ আছেন তিনি।

প্রতি বছর তিনি বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন সবজি চাষের পাশাপাশি আলু বেগুন লাউ সহ আরও অনেক ফসলের চাষাবাদ করেন। কৃষক সাহেব আলীর মত আরও অনেক চাষীরাইএই গ্রামের ফসলি জমিতে বিভিন্ন ধরনের চাষাবাদ সারা বছরই করে থাকেন বলে জানা যায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি