২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

” লেবুখালী ফেরিঘাটে হকারদের পুনবার্সনে জন্য মানববন্ধন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ আজিজুল পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

 

পটুয়াখালীর লেবুখালী ফেরিঘাটে হকারদের পুনবার্সনে জন্য মানববন্ধন

হকার পুনবার্সন দাবিতে পটুয়াখালী দুমকির লেবুখালী ফেরিঘাটে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শতাধিক হকাররা। সোমবার সকালে লেবুখালী ফেরিঘাটে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনের কর্মসূচীতে অর্ধশতাধিক হকার উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

হকারদের দলনেতা মোঃ আলাম ফরাজি তার বক্তব্যে বলেন, পায়রা নদীর ভাঙনে নিঃস্ব হওয়া দেড়শতাধিক পরিবারের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র পেশা ফেরীঘাটে ক্ষুদ্র ও হকারি ব্যবসা। আমরা লেবুখালী ফেরীঘাটে চানাচুর, আমড়া, ঝালমুড়ি, কলা, ডিম, পান, পানি, মাছ, শরবতসহ নানা প্রকার খাদ্যদ্রব্য ফুটপাতে ও ফেরীতে বেচা-বিক্রি করে কোন মতে স্ত্রী-সন্তান পরিজন নিয়ে বেঁচে আছি।

 

হকাররা প্রত্যেককে বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও ঋণের মূলধন নিয়ে ব্যবসা করতেছি এবং প্রত্যেকের সপ্তাহিক কিস্তি পরিশোধ করতে হয়। ফেরীঘাট বন্ধের পর আমাদের কোন কর্মসংস্থান থাকবে না। ব্যবসা বন্ধ হলে এসব হকার পরিবার পরিজন নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে। ঋণের কিস্তির জালায় আত্মহত্যা ছাড়া উপায় থাকবে না। তাই বর্তমান সরকার প্রধান, মানবিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অসহায় হকার পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ চান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইদ্রিস শরীফ, আব্বাস হোসেন প্রমুখ।

 

 

স্থানীয় আ.লীগ নেতা আব্দুর রশিদ প্যাদা জানান, দীর্ঘ ২০ বছর যাবত এসব হকাররা লেবুখালী ফেরিঘাটে হকারি ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। এখন যদি প্রধানমন্ত্রী তাদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি কোন বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করে দেন তাহলে তাদের না খেয়ে মরতে হবে না।

 

 

এ বিয়য়ে দুমকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপ‚র্ণ তাই যত দ্রুত সম্ভব হকারদের তালিকা তৈরী করে আমরা আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কিছু করা যায় কিনা সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া হবে। উল্লেখ্য, লেবুখালী ফেরীঘাটে দক্ষিনাঞ্চলবাসির স্বপ্নের লেবুখালী পায়রা সেতু নির্মিত হয়েছে। আগামী অক্টোবর মাসে উদ্বোধনের কথা আছে।

 

সেতুটি যানচলাচলের জন্য খুলে দেয়ার পর ফেরীঘাটটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। আর এতে ফেরীঘাট কেন্দ্রিক দেড়শতাধিক হকার পরিবারগুলোর জীবন জীবিকাও থমকে দাড়ানোর আশঙ্কায় তারা (হকাররা) উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি