১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

লেবুখালী পায়রা সেতু প্রকল্প পরিদর্শনে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সচিব।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ আজিজুল পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি :

 

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের লেবুখালীর পায়রা সেতু চলতি (সেপ্টেম্বর) মাসের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি উদ্বোধনের মাধ্যমে যানবাহন চলাচলের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত করে দেওয়ার লক্ষ্যে দিনরাত কাজ করছে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

 

আজ ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় পায়রা সেতু লেবুখালী সেতু) নির্মান প্রকল্প পরিদর্শন, প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনের সার্বিক বিষয়াদি নিয়ে পর্যালোচনা করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম।

 

এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ আব্দুল মালেক, উপসচিব সুলতানা ইয়াসমিন, মোঃ সামিমুজ্জামান, ফারজানা জেসমিন, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবু হেনা মোহাম্মদ তারেক ইকবাল, বরিশাল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ মাহমুদ সুমন, বরিশাল জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রশান্ত কুমার দাস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দুমকি শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুমকি থানা মেহেদী হাসান ও প্রকল্প পরিচালক এম.এ হালিমসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশিত স্বপ্নের সেতু উদ্বোধনের লক্ষে তিনি ৫ম বারের মত পায়রা সেতুর কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষনে আসেন।

 

 

 

সেতুটি উদ্বোধনের পূর্বে ত্রুটি বিচ্যুতি কাজগুলো অতিদ্রæত সমাপ্তির জন্য প্রকল্প পরিচালককে নির্দেশনা দেন এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে প্রস্তুতিমূলক সভা করে উদ্বোধনের কার্যক্রম বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য নির্দেশ দেন।

 

ঢাকা-বরিশাল-পটুয়াখাল­ী মহাসড়কের (এনএইচ-৮) ১৯২ কিলোমিটার এবং বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের ২৭ কিলোমিটারে লেবুখালীর পায়রা নদীর ওপর সব শেষ সেতুনির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই।

 

কুয়েতফান্ড ফর আরবইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (কেএফএইডি) এবংওপেকফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওএফআইডি) যৌথ অর্থায়নে ১ হাজার ৪৪৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণের দায়িত্ব পায় চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লংজিয়ান রোড অ্যান্ডব্রিজ কোম্পানি লিমিটেড।

 

কার্যাদেশে সেতু নির্মাণে ৩৩ মাস সময় বেঁধে দেওয়া হলেও দুই দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। ২০১৩ সালের ১৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি