1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শার্শায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম খাইরুল হককে গার্ড অফ অনার প্রদান। কালীগঞ্জে অস্বচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থী, দুঃস্থ নারী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ। কেশবপুরের মঙ্গলকোটে বিএনপি নেতা সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত। সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগে মাছ ধরার অপরাধে ১ জেলে আটক । কয়রায় প্রত্যাশীর প্রজেক্ট লার্নিং শেয়ারিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত । কালীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত। শ্যামনগরে জলবায়ু সহনশীল কৃষি বিষয়ক সংলাপ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরের পাঁজিয়ায় সনাতন ধর্মালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ত্রিমোহিনী ইউপিতে পুনরায় প্রশাসক নিয়োগ,ভোগান্তির অবসান। কয়রায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা।

লালমনিরহাটে স্ত্রীর পরকীয়ার বলি আব্দুল জলিলের মরদেহ অবশেষে ১১দিন পর ময়না তদন্তের জন্য তোলা হলো।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১
  • ২৫৭ বার পঠিত

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

লালমনিরহাটে স্ত্রীর পরকীয়ার বলি আব্দুল জলিলের মরদেহ অবশেষে ১১দিন পর ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

রোববার (১ আগস্ট) সকালে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদ আল সোহানের উপস্থিতিতে লালমনিরহাট পৌরসভার সাপটানা কবরস্থান থেকে জলিলের লাশ উত্তোলন করা হয়।

 

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) মারুফা জামান, লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহা আলম, হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (লালমনিরহাট সদর ফাড়ীর ইনচার্জ) মাহমুদুন্নবীসহ মামলার বাদীর পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মৃত জলিলের ৩দিনের কুলখানি অনুষ্ঠান শেষে আব্দুল জলিলের বড় ভাই আব্দুর রশিদ ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মমিনা বেগমকে তাদের সাথে গ্রামের বাড়িতে যেতে বলে। কিন্তু মমিনা বেগম তাদের সাথে শ্বশুর বাড়ি যেতে অস্বীকার করেন। প্রয়োজনে এখানেই আবার বিয়ে করবেন বলে মমিনা বেগম সাফ জানিয়ে দেন। ছোট ভাই মৃত জলিলের স্ত্রী মমিনা বেগমের নিকট এ কথা শোনার পর মৃত জলিলের বড় ভাই রশিদের সন্দেহ হয়। এ কারনেই পরের দিন (২৫ জুলাই) তার ছোট ভাই আব্দুল জলিলকে হত্যা করা হয়েছে মর্মে পুলিশ সুপার বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশের টনক নড়ে। ওই দিনই পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) মারুফা জামানের নেতৃত্বে লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশ বিভিন্ন এঙ্গেলে তদন্ত শুরু করেন। প্রাথমিক ভাবে দীর্ঘক্ষণ তাদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কোন ক্লু পাচ্ছিলো না পুলিশ। পরে তাদের ফোন কল যাচাই করে মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সকালে তাদের ৪জনকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নিয়ে এসে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরকীয়ার কারনেই জলিলকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেন মমিনা বেগম ও পরকীয়া প্রেমিক পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানী। হত্যার সাথে সম্পৃক্ততা না থাকায় পরে বাকী ২জনকে ছেড়ে দেয়া হয়। পরে স্ত্রী মমিনা বেগম ও পরকীয়া প্রেমিক গোলাম রব্বানীকে ১৬৪দাধায় জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে প্রেরন করা হয়। তাদের জবান বন্দি রেকর্ড করার পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত। এরই ধারাবাহিকতায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদ আল সোহানের উপস্থিতিতে লালমনিরহাট পৌরসভার সাপটানা কবরস্থান থেকে জলিলের লাশ উত্তোলন করা হয়।পরে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

 

উল্লেখ্য, কোরবানী ঈদের দ্বিতীয় দিনে এক সাথেই ছিলেন পরকীয়া প্রেমিক গোলাম রব্বানী ও মৃত আব্দুল জলিল। ওই দিন গভীর রাতে পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানী কৌশলে আব্দুল জলিলকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এদিকে অপেক্ষারত স্ত্রী মমিনা বেগম স্বামী ঘুমিয়ে পড়ার সাথে সাথে তাকে বালিশ চাপায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত হলে ভোরের দিকে মমিনা বেগম চিৎকার শুরু করে। পরে আশপাশের লোকজন এসে আব্দুল জলিলের নাকে ও মুখে রক্ত বের হতে দেখেন এবং পরকীয়া প্রেমিক পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানী মৃত্যু নিশ্চিত করে তরিঘরি করে লাশ দাফন করেন।

 

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফরিদ আল সোহান জানান, আদালতের নির্দেশে ১১দিন পর মৃত জলিলের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়না তদন্তের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে জলিলের লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।

 

এ সময় কবর স্থানের চারিদিকে হাজার হাজার উৎসুক জনতার ভীর লক্ষ করা যায়।

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধি। ০১৭৩৫৪৩৮৯৯৯

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT