২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

লালমনিরহাটে বাবুর আলী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বাবুর আলী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

 

কালীগঞ্জ উপজেলার বাবুর আলী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠার পর ২০১৯ সালে ৪তলা আইসিটি ভবনের বরাদ্দ পায় বিদ্যালয়টি। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যালয়টির পূর্বের ভবন ওয়াকশন না দিয়ে ভবনটি ভেঙ্গে তার সামগ্রী আত্মসাৎ করেন প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম মোল্লা। তিনি স্কুলের পুরনো বিল্ডিংয়ের ওয়াকশনে না দিয়ে অফিস কক্ষের ২রুম ও ক্লাসরুমের ৬টি কক্ষ ভেঙ্গে পুরাতন ইট, গুড়া বালু, টিন, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিজের বাড়ির দেয়াল ও গোডাউনের কাজে লাগান এবং অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি করে আনুমানিক ১০লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন।

 

এলাকাবাসী আরও জানান, পরিত্যাক্ত জিনিসপত্র নিলাম বা ওয়াকশনে নিলে উক্ত প্রতিষ্ঠান এবং সরকার ১০লক্ষ টাকা পেতো কিন্তু প্রধান শিক্ষক নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য তিনি কোন প্রকার নিলাম বা ওয়াকশন না দিয়ে গোপনে উক্ত মালামালগুলো বিক্রয় ও নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে ও বিক্রয়কৃত টাকা বিদ্যালয়ের ফান্ডে জমা প্রদান না করে নিজেই আত্মসাৎ করেন।

 

শুধুমাত্র তাই নয় প্রধান শিক্ষক একক সিদ্ধান্তে রাতারাতি মনগড়া বিদ্যালয় কমিটি গঠন করে এবং সেই কমিটি দ্বারা নিয়োগ বাণিজ্যসহ রাতারাতি কতিপয় লোকের সহযোগীতায় রাস্তার গাছ কাটে যার আনুমানিক মূল্য ৫লক্ষ টাকা। এই ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান হওয়ায় একক ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠানের গাছ আরও কয়েক ধাপে কেটে আত্মসাৎ করেন।

 

এ বিষয়ে বাবুর আলী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম মোল্লার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি