২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

লালমনিরহাটে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এক শিক্ষিকা : ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে সীমানা প্রাচীর।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

 

লালমনিরহাটে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্না নামে এক কলেজ শিক্ষিকা। তার বসত বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে দেয়াসহ তাকে ও তার মাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ ওই কলেজ শিক্ষিকার। এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় একটি মামলা হলে এখন পর্যন্ত কোনো আসামী গ্রেফতার করতে পারে নাই পুলিশ। তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্না লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা উত্তর বাংলা কলেজের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক।

 

প্রাপ্ত অভিযোগে প্রকাশ, তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্না তার বৃদ্ধ মাকে নিয়ে ওই উপজেলার কাশীরাম গ্রামে স্থানীভাবে বসবাস করে আসছেন। নিজের নিরাপত্তার জন্য তার বসত বাড়ির চার দিকে কিছু অংশে ইতোমধ্যে সীমানা প্রচীর নির্মাণ করেছেন। সীমানা প্রাচীর নির্মাণের পর থেকে প্রতিবেশী মৃত আফছার আলীর পুত্র মৃদুল মিয়াসহ কয়েকজন অহেতু বাঁধা প্রদান করেন। প্রায় সময় সীমানা প্রচীর ভেঙ্গে ফেলে দেয়। গত বুধবার রাতে মৃদুল মিয়াসহ ১০/১২জন পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে প্রায় ৯০ হাত সীমানা প্রচীর ভেঙ্গে ফেলে দেয় এবং ওই কলেজ শিক্ষিকা ও তার বৃদ্ধা মাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয় এমন অভিযোগ তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্নার। এ ঘটনায় কলেজ শিক্ষক তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্না বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার ১০জনকে আসামী করে কালীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ইতোমধ্যে ওই অভিযোগটি নতিভুক্ত করে আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছেন।

 

অভিযোগকারী কলেজ শিক্ষিকা তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্নার অভিযোগ, তার বাড়ির সীমানা প্রচীর ভেঙ্গে ভেলার ঘটনায় মামলা হলেও পুলিশ কোনো আসামী গ্রেফতার করছে না। ফলে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে।

 

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, কলেজ শিক্ষক তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্নার বসত বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলার ঘটনায় তার দায়েরকৃর্ত অভিযোগ ইতোমধ্যে নতিভুক্ত করে আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি