১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

লালমনিরহাটে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ এর সমাপনী অনুষ্ঠান।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় লালমনিরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর লালমনিরহাটের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ উদযাপন উপলক্ষে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণের সাথে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণের মতবিনিময় ও মৎস্য সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

 

সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফারুকুল ইসলাম। ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ মতবিনিময়ে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় লালমনিরহাট জেলা মৎস্য দপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক শামসুল করিম, লালমনিরহাট সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুন্নবী মিঠু, লালমনিরহাট সদর মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের খামার ব্যবস্থাপক আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জাতীয় মৎস্য পদক ২০২১ স্বর্ণপদক প্রাপ্ত সফল মৎস্য চাষী হারুন অর রশিদ, সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার সম্পাদক মাসুদ রানা রাশেদ, প্রকাশক রমজান আলী, এটুজেট প্রতিনিধি হেলাল হোসেন কবিরসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

পরে লালমনিরহাট জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের সৌজন্যে প্রান্তিক চাষি ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে অবদান রাখায় মোঃ হারুন অর রশিদকে সফল মৎস্য চাষী/ প্রতিষ্ঠান পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি