২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

লালমনিরহাটে কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ মনে হওয়ায় বাড়তি আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন আবেদন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

আসন্ন ২৮ নভেম্বর লালমনিরহাটের গোকুন্ডা ইউপি নির্বাচনের দিন সকালে কেন্দ্রে ব্যালট পেপার পৌঁছানো ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রেগুলোতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনর জন্য আবেদন করেছেন ৩ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।

 

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সচিব নির্বাচন কমিশন, বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, লালমনিরহাট বরাবর গোকুন্ডা ইউপি নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুর রশিদ সরকার টোটন (আনারস মার্কা), চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুর রহিম সরকার খোকন (ঘোড়া মার্কা) ও চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিছার রহমান (মোটর সাইকেল মার্কা) এ আবেদন করেন।

 

আবেদন সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট সদর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৮নং গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ৫জন প্রতিন্দ্বন্দ্বীতা করছেন। কিন্তু ৫জন প্রার্থীর মধ্যে ১জন প্রার্থী গোলাম মোস্তফা স্বপন নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করে কর্মী ও সমর্থকদের নিয়মিত হুমকী প্রদান করছে। ২০১১ ও ২০১৬ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তারা প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যাপক উত্তাপ, উৎপাত, উত্তেজনা সৃষ্টি করে প্রিজাইডিং অফিসারকে জিম্মি করে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মেরে বাক্সে ঢুকিয়ে দেয়। এসব অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আগামী ২৮ নভেম্বর গোকুন্ডা ইউপির ঝুঁকি সম্পন্ন কেন্দ্র হলো, ৬নং ওয়ার্ডের তিস্তা কে আর খাদেম সঃ প্রাঃ বিঃ ও তিস্তা কে আর খাদেম উচ্চ বিদ্যালয়, তিস্তা বাজার, ভোট কেন্দ্র নম্বর-৬৯, ৭০; ৮নং ওয়ার্ডের তিস্তা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তিস্তা বাজার, ভোট কেন্দ্র নম্বর-৭১; ৯নং ওয়ার্ডের কাচারীপাড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাছারির পাড়, ভোট কেন্দ্র নম্বর-৭৩, ৭নং ওয়ার্ডের গোকুন্ডা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোট কেন্দ্র নম্বর-৭১, ৫নং ওয়ার্ডের রতিপুর ইসলামিয়া মাদ্রাসা, রতিপুর, ভোট কেন্দ্র নম্বর-৬৮। এছাড়াও গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে কেন্দ্রে কেন্দ্রে সকাল ৭টায় ব্যালট পৌঁছানোসহ উল্লেখিত কেন্দ্রগুলোতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও ম্যাজিট্রেট নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।

 

গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রশিদ সরকার টোটন (আনারস মার্কা) সাংবাদিকদের বলেন, আসন্ন ২৮ নভেম্বর গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে আমরা ৩ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিভিন্ন বিষয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছি। যাতে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তায় সাধারণ ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নিরভয়ে ভোট দিতে পারেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।