১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

লালমনিরহাটে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সদস্য, সদস্যা পদের প্রার্থীরা ব্যস্ত প্রচারণায়।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

আগামী ২৮ নভেম্বর তৃতীয় পর্বে সারাদেশের ন্যায় লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ সাধারণ নির্বাচন-২০২১ এর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

 

এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সদস্য, সদস্যা পদের প্রার্থীরা পাড়া-মহল্লার নির্বাচনী প্রচারণা বেশ জোরেশোরে চালিয়ে যাচ্ছেন অব্যাহত।

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৫৫জন চেয়ারম্যান, ৩৪১জন সদস্য, ১২৯জন সদস্যা পদের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬জন চেয়ারম্যান, ৪১জন সদস্য, ১৪জন সদস্যা পদের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান (নৌকা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুরুল ইসলাম (হাতপাখা), জাকের পার্টির হানিফ আলী (গোলাপফুল), স্বতন্ত্র আতোয়ার হোসেন (মোটর সাইকেল), গোলাম ফারুক (আনারস), শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ (ঘোড়া) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২৭১৮৮জন।

কুলাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪জন চেয়ারম্যান, ৩৭জন সদস্য, ১৬জন সদস্যা পদের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কুলাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শাহজাহান আলী সরকার (নৌকা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খালিদ সাইফুল্যাহ (হাতপাখা), জাকের পার্টির শহিদুল ইসলাম (গোলাপফুল), স্বতন্ত্র ইদ্রিস আলী (আনারস) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২২৮২৫জন।

মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৯জন চেয়ারম্যান, ৪৫জন সদস্য, ১৫জন সদস্যা পদের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের খলিলুর রহমান (নৌকা), জাতীয় পার্টি আসাদুল আশেকীন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফয়জার রহমান (হাতপাখা), স্বতন্ত্র আঃ মজিদ (আনারস), তাজবিরুল ইসলাম (তাজ) (অটোরিক্সা), মশিউর রহমান বসুনীয়া (ঘোড়া), মহিউদ্দিন আহম্মেদ (ঢোল), রশিদুল হক (মোটর সাইকেল), রুহুল আমিন বসুনিয়া (চশমা) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২৮২২৭জন।

হারাটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭জন চেয়ারম্যান, ৪০জন সদস্য, ১৬জন সদস্যা পদের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হারাটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিরাজুল হক খন্দকার (নৌকা), জাতীয় পার্টির রফিকুল ইসলাম (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল হাই (হাতপাখা), স্বতন্ত্র আব্দুল হাকিম খান (ঘোড়া), মজিবর রহমান (মোটর সাইকেল), মোশারফ হোসেন (আনারস), হোসেন আলী (চশমা) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২৪৭১৫জন।

খুনিয়াগাছ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭জন চেয়ারম্যান, ৩৩জন সদস্য, ১২জন সদস্যা পদের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। খুনিয়াগাছ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মোজাম্মেল হক সরকার মানিক (নৌকা), জাতীয় পার্টির জুলফিকার আলী (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমজাদ হোসেন (হাতপাখা), স্বতন্ত্র আবুজার রহমান (চশমা), আঃ মালেক সরকার (মোটর সাইকেল), আমিনুল ইসলাম (আনারস), এ এস এম খায়রুজ্জামান মন্ডল (ঘোড়া) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২২৭২৫জন।

রাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪জন চেয়ারম্যান, ২৪জন সদস্য, ১৪জন সদস্যা পদের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মোফাজ্জল হোসেন (নৌকা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সোলায়মান গনি (হাতপাখা), স্বতন্ত্র বিশ্বজিত মোহন্ত (আনারস), শাহাজাহান আলী (মোটর সাইকেল) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ১৫৪৪৩জন।

গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৫জন চেয়ারম্যান, ৪৬জন সদস্য, ১৭জন সদস্যা পদের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গোলাম মোস্তফা স্বপন (নৌকা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবু বকর সিদ্দীা (হাতপাখা), স্বতন্ত্র আনিছার রহমান (মোটর সাইকেল), আঃ রশিদ সরকার টোটন (আনারস), আঃ রহিম (খোকন) (ঘোড়া) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩১০১৪জন।

পঞ্চগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬জন চেয়ারম্যান, ৩৫জন সদস্য, ১৩জন সদস্যা পদের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পঞ্চগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গোলাম ফারুক বসুনিয়া (নৌকা), জাতীয় পার্টির নুর উদ্দিন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জাহেদুল ইসলাম (হাতপাখা), স্বতন্ত্র আলা উদ্দিন আহমেদ (মোটর সাইকেল), বিভূতি ভুষন রায় বসুনিয়া (ঘোড়া), দেলওয়ার হোসেন (আনারস) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২৪৩২১জন।

বড়বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭জন চেয়ারম্যান, ৪০জন সদস্য, ১২জন সদস্যা পদের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বড়বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এসএম আশরাফুল হক মিঠু (নৌকা), জাতীয় পার্টির আব্দুর রহমান (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একরামুল হক (হাতপাখা), স্বতন্ত্র এবিএম আজিজুর রহমান খন্দকার (মোটর সাইকেল), পনির উদ্দিন (চশমা), সফিকুল ইসলাম (আনারস), হাবিবুর রহমান হবি (ঘোড়া) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২১৯৯১জন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।