১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

লালমনিরহাটে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ বর্মনের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যদের অনাস্থা কার্যকর ও অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন পালন করেছেন ইউপি সদস্যরাসহ স্থানীয়রা।

 

রবিবার (৫ সেপ্টম্বর) সকালে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অনাস্থা প্রস্তাবকারী ইউপি সদস্যদের পাশাপাশি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা প্রায় ৫শতাধিক মানুষ ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য মোফাজ্জল, ফারুক, ওসমান, এনছানা বেগমসহ সকল ইউপি সদস্যগণ।

 

এ সময় ইউপি সদস্য মোফাজ্জল হক বলেন, করোনাকালীন জিআর বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ লিখিতভাবে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এবং কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দেয়ার পরও এই চেয়ারম্যান বহাল তবিয়তে রয়েছেন। আমরা সকল ইউপি সদস্যরা এই চেয়ারম্যানের সীমাহীন দুর্নীতির বিচার ও তার অপসারনের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি কামনা করছি। মানববন্ধনে ইউপি সদস্য ছাড়াও এলাকার শুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকরা বক্তব্য রাখেন।

 

এ সময় বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে আসছেন তিনি। সরকার কর্তৃক বরাদ্দের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আমরা এই চেয়ারম্যানের অপসারণ পূর্বক বিচার দাবি করছি।

 

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর জন্ম নিবন্ধন সনদ দিতে ৪শত থেকে ৫শত টাকা, প্রত্যয়নপত্র দিতে ৫০টাকা, ভূমিহীন সনদ দিতে ৫শত থেকে ১হাজার টাকা আদায় করেন এবং ট্রেড লাইসেন্স ফির টাকাসহ যাবতীয় রাজস্ব রাষ্ট্রের কোষাগারে জমা না করে তিনি নিজেই আত্মসাত করেন। আমরা এলাকাবাসী এই দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের অনতিবিলম্বে অপসারণ চাই।

 

এ বিষয় ইউপি চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ বর্মনের নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, একটি কুচক্রীমহল আমাকে লোকসমাজে হেয় করতে এসব করছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি