১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

লালমনিরহাটের ৭নং ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাড. মোঃ মশিউর রহমান।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

ইতিমধ্যেই বইতে শুরু করেছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের হাওয়া। স্ব স্ব এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ৭নং ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে নৌকার মাঝি হয়ে ইউনিয়নকে মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার সদস্য ও হাতীবান্ধা উপজেলা শাখার আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মশিউর রহমান।

 

অ্যাড. মোঃ মশিউর রহমান-এঁর জন্ম ১৯৭০ সালের ৬ জুন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ৭নং ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড উত্তর ডাউয়াবাড়ী গ্রামে। তাঁর পিতা- মোঃ রুহুল আমিন। তাঁর মাতা- মৃত্য আবেদা খাতুন। ৩ভাই ৫বোনের মধ্যে তিনি প্রথম। তাঁর স্ত্রী- অ্যাড. মোছাঃ মাসুমা ইয়াসমীন। সন্তান- ২কন্যা সন্তানের জনক। তাঁর কন্যারা হলেন- মোছাঃ মৌমিতা রহমান ঈস্পিতা ও মোছাঃ মৌলি মালিহা।

 

অ্যাড. মশিউর রহমান বলেন, পারিবারিক সূত্রে বাল্যকাল থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবন শুরু করি। বিভিন্ন আন্দোলন, সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে হামলা, মামলা-মোকদ্দমা মোকাবেলা করেছি। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলাসহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কমিটিতে সম্পৃক্ত থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার সদস্য ও হাতীবান্ধা উপজেলা শাখার আইন বিষয়ক সম্পাদক ও বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত ৭নং ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের প্রার্থী ছিলাম। সংগঠন বিরোধী কোন কর্মকান্ড করি নাই, দলীয় সকল কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেছি এবং ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৭নং ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গণ কবলিত এলাকাসহ ইউনিয়ন বাসীকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছি। আমি যতদিন বেঁচে থাকব সাধ্যমত সাহায্য সহযোগিতা করে যাব। তাই আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি দলীয় মনোনয়ন (নৌকা প্রতীক) প্রত্যাশী। এ ইউনিয়নের সবচেয়ে বেশী সমস্যা তিস্তা নদীর বাম তীর ভাঙ্গণ, দারিদ্রতা, দুর্নীতি, মাদকসহ আরও অনেক। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি দলীয় মনোনয়ন (নৌকা প্রতীক) নিয়ে নির্বাচিত হয়ে, সমস্ত সরকারী সেবা জনগনের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিবো। বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বেকারদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দিবো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দরিদ্র বিমোচন, রাস্তা ঘাট অর্থাৎ অবকাটামোগত উন্নয়ন করব। দারিদ্রতা, দুর্নীতি, মাদক মুক্ত করব ইউনিয়নকে। ইত্যেমধ্যে গনসংযোগ শুরু করেছি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমাকে মনোনয়ন দিলে এবারে নৌকা প্রতীক নিয়ে আমি বিজয়ী হবো ইনশাল্লাহ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি