১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

লালমনিরহাটের উত্তর গোবধা দাখিল মাদরাসায় ঝুঁকিপূর্ন শ্রেণি কক্ষে পাঠদান।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদঃ

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের শঠিবাড়ী এলাকায় অবস্থিত উত্তর গোবধা দাখিল মাদরাসা ১৯৮৬ সালে স্হাপিত হওয়ার পর থেকে এবতেদায়ী থেকে দাখিল পর্যন্ত প্রতি বছর ফলাফলে সাফল্য অর্জন করে আসলেও প্রতিষ্ঠান টি দীর্ঘদিন থেকে ঝুঁকিপূর্ন শ্রেণি কক্ষে পাঠদান চলছে। গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে চলতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের ১১ তারিখ পযর্ন্ত প্রায় দেড় বছর করোনার কারনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শ্রেণি কক্ষ গুলো ঝুঁকিপূর্ন এবং জরাজীর্ণ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মাদরাসার সুপার মাওলানা আ ন ম ইউনুছ আলী জানান, ৩জন ৭০জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে মাদরাসাটি পরিচালিত হচ্ছে। ২১জন শিক্ষক ও শিক্ষিকা রয়েছে। ভকেশনাল এবং বিজ্ঞান শাখা চালু থাকায় প্রতি বছর ছাএ-ছাএী ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে যথেষ্ট। ২০০২ সালে এমপিও ভূক্ত হলেও ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি-বেসরকারি তেমন কোন সারা পায়নি এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগে যোগাযোগ করে কোন সুফল পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। মাদরাসাটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে দীনি শিক্ষার জন্য বিশিষ্ট সাংবাদিক মরহুম কাজী সুলতান আহমদ এর উদ্যোগে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাহায্যে ১একর ২৬শতক জমিতে স্থাপিত মাদরাসাটিতে সরকারি ভাবে ভবন নির্মাণ করা হলে উত্তর গোবধা দাখিল মাদরাসা আদিতমারী উপজেলার মডেল মাদরাসা হিসেবে সুনাম অর্জন করবে।

 

মাদ্রাসা সুপার জানান, মাদরাসার অফিস কক্ষ, শ্রেণি কক্ষ, বিজ্ঞানাগার ও আসবাবপত্র সংকট রয়েছে। মাদরাসার যাবতীয় সমস্যা নিরসনের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকেরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।