২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

লামার ৭ ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা চেয়ারম্যান নির্বাচিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ ইকরামুল হাসান, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি।

 

দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বান্দরবানের লামা উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে একে একে ৭টি ইউনিয়নের ৬৪টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফল উপজেলা নির্বাচনী কন্ট্রোল রুমে আসতে থাকে। উপজেলা নির্বাচন অফিসার জানিয়েছেন, অনেক গুলো কেন্দ্র দুর্গম এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় ফলাফল আসতে (রাত ১১টা) পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে।

 

ইউপি নির্বাচনে বিজয়ীরা হলেন, ১নং গজালিয়া ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী বাথোয়াইচিং মার্মা (৪৭৪৬ ভোট), তার নিকটতম স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ বাবুল হোসেন (৮৪৭ ভোট), ২নং লামা সদর ইউনিয়ন নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মিন্টু কুমার সেন (২৬৮১ ভোট), তার নিকটতম চেয়ারম্যান প্রার্থী মোটর সাইকেল প্রতীকের আক্তার কামাল (১৬৪৫ ভোট), ৩নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাঃ নুরুল হোসাইন (৬০৪২ ভোট), তার নিকটতম স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকের হোসেন মজুমদার (৫৮৯৪ ভোট), ৪নং আজিজনগর ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ জসিম উদ্দিন (৩৭১১ ভোট), তার নিকটতম স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী রশিদ আহাম্মদ (১৫৬২ ভোট), ৫নং সরই ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ ইদ্রিছ (৪৪৬১ ভোট), তার নিকটতম স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আবু হানিফ (২০৭ ভোট), ৬নং রূপসীপাড়া ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছাচিং প্রু মার্মা (৩৪৫৩ ভোট), তার নিকটতম স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম (২২৮৫ ভোট) এবং ৭নং ফাইতং ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ ওমর ফারুক (৩৩২৫ ভোট), তার নিকটতম স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল জলির (২২১৫ ভোট)।

 

লামা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসাইন রহমান জানান, দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে লামা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনের সংক্রান্ত বিষয়ে কারো অভিযোগ থাকলে, তাকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট,বান্দরবান বরাবরে অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।