২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

লাকসামে বজ্রপাতে ৫টি ঘর পুড়ে ছাই; লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ

 

কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার কান্দিনপাড় ইউনিয়নের অশ্বতলা গ্রামে রাত ২:১৫ মিনিটের সময় বজ্রপাতের কারনে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে অঝর বৃষ্টির মধ্যেও অগ্নি সংযোগে ৫টি ঘর পুড়ে ছাই। এই ঘর পুড়ার কারনে এলাকায় আতংক বিরাজ করছে।

 

অশ্বতলা গ্রামের আমির আলির ছেলে আবদুল মজিদ, লতিফা বেগম ও ছকিনা বেগমের বসতঘর, গোয়ালঘর এবং রান্না ঘর পুড়ে প্রায় ২৬ লক্ষাধিক টাকার মত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করা হয়েছে।

 

আবদুল মজিদের ২ ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর জন্য ২টি পাসপোর্ট, নগদ ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য স্বর্ণলংকার পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

 

লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম সাইফুল ইসলাম ও কান্দিরপাড় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ ওমর ফারুক এবং অত্র ওয়ার্ড মেম্বার সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

 

এইদিকে ক্ষতিগ্রস্থদের সাময়িক সহযোগিতা করার জন্য আস্বাস প্রদান করেন ইপি সদস্য সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।

 

বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী আলহাজ্ব মো: তাজুল ইসলাম এমপি’র সু-দৃষ্টি কামনা করেন ভুক্তভোগিরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি