১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

লাকসামে আবারো পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রবিউল হোসাইন সবুজ,লাকসাম প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লা লাকসাম আবারো পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়।
(২৩ আগস্ট) সোমবার লাকসাম পশ্চিমগাঁও নবাব ফয়জুন্নেসা বাড়ির পিছন একটি পুকুর থেকে পরিত্যক্ত একটি গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়৷
জনৈক সবুজ মিয়া নামে একব্যক্তি লাকসাম থানা পুলিশকে সংবাদ দেন,২৩ আগস্ট সোমবার বেলা অনুঃ ১ঘটিকার সময় লাকসাম থানাধীন লাকসাম পৌরসভাস্থ ০৬নং ওয়ার্ড পশ্চিমগাঁও সাকিনে নবাব ফয়জুন্নেছা কলেজের উত্তর পার্শ্বের দিঘীতে তাহার ছেলে সাহাদাত হোসেন সায়মন উক্ত দিঘীতে গোসল করতে গেলে তার পায়ের সাথে লাগলে সে তাহা উপরে উঠায় এবং গ্রেনেড সদৃশ বস্তুটি দেখতে পায়। যাহার লম্বা অনুমান ৩ ইঞ্চি, গোলাকার অনুমান ৫ইঞ্চি হবে। যাহাতে মরিচা ধরা। ধারণা করা হচ্ছে ইহা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ অথবা দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময়ের অবিস্ফোরিত গ্রেনেড।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহাদাত হোসেন সাইমন ও আব্দুর রহমান সাইমন নামের স্কুলপড়ুয়া দুই ছাত্র পুকুরে গোসল করতে নামলে তাদের পায়ে গ্রেনেডটি খোঁচা লাগে তখন তারা এটিকে উপরে উঠিয়ে নিয়ে আসে।
পরে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে গ্রেনেডটি স্কুল পড়ুয়া ছাত্রদের কাছ থেকে একটু দূরে সরিয়ে রেখে পুলিশকে খবর দেয়।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গ্রেনেড উদ্ধারকারী নিয়ে যায়৷
ধারণা করা হচ্ছে ৭১ সালে যুদ্ধের সময়কার অব্যবহৃত এই গ্রেনেড পুকুরে পাওয়া গেছে।
লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ মেজবাহ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন , বিকেলের দিকে এলাকার লােকজন দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানালে পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি