২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

লক্ষ্মীপুরে আ.লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামে হারুনুর রশিদ ওরফে কসাই হারুন (৫৫) নামে এক আওয়ামীলীগ নেতাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

বুধবার রাত ৯টার দিকে দূর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়। এদিন দিবাগত রাত একটার পর ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান তিনি। রাত দেড়টার দিকে সাংবাদিকদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন হারুনের জেঠাতো নুরে আলম।

তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় পৌঁছালে হারুনের মৃত্যু হয়। তার মৃতদেহ লক্ষ্মীপুরে নিয়ে আসা হচ্ছে।

এর আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে এলাকাবাসী তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখান থেকে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। ঢাকা নেওয়ার পথেই মারা যান তিনি।

হারুন ফতেহপুর গ্রামের হোসেন ব্যাপারীর পুত্র এবং দত্তপাড়া বাজারের গোশতের ব্যবসায়ী। এছাড়া তিনি বশিকপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, হারুন তার বাড়ির পাশের বটের পুকুর পাড় সংলগ্ন একটি চা দোকানে বসে ছিলেন। রাত প্রায় ৯টার দিকে একটি সিএনজি অটোরিক্সাযোগে ৫-৬ জন অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এসে হারুনকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে ঘটনানস্থল ত্যাগ করে। এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কি কারণে তিনি হামলার শিকার হয়েছেন- এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

রাত ১১টার দিকে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক রেজাউল করিম মাসুম জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুরুতর জখম অবস্থায় হারুন নামে এক ব্যাক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র প্রেরণ করা হয়েছে। হারুনের শরীরের বেশ কয়েকটি স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এ সময় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন তিনি।

জেলা পুলিশ সুপার ড. এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের চিহিৃত করে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি