১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

রূপসা ফুড ব্যাংক অসহায় মানুষের পাশে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রূপসা ফুড ব্যাংক অসহায় মানুষের পাশে

 

মোঃ শেখ শহীদুল্লাহ্ আল আজাদ, খুলনা।

 

 

খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার ৩নং নৈহাটি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড সামাজিক সংগঠন “রূপসা ফুড ব্যাংক” ও নৈহাটি গোডাউন মোর দোকানদার’দের সহায়তায় একজন দিনমজুর ব্যক্তিকে নগদ টাকা,টিশার্ট ও একটি মাছ ধরা জাল উপহার দেওয়া হয়। উক্ত ব্যাক্তি বাগেরহাট জেলার বাদাল বাজার থেকে দিনমজুর কাজ খুজতে আসা এক ব্যক্তি পাঁচ দিন যাবত কোনো কাজ না পেয়ে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে, খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার নৈহাটি গোডাউন মোড় এসে মাথা ঘুরে পরে যায়। এ দিকে রূপসা ফুড ব্যাংক ও গোডাউন মোড় দোকানদার’দের উদ্যোগে তাকে খাবার দিয়ে একদিন রেখে সুস্থ করে তুলেন। উক্ত অসহায় মানুষ কে রূপসা ফুড ব্যাংকের সহায়তায় একটি মাছ ধরা জাল ও নগদ কিছু টাকা প্রদান করে তার গন্তব্যে পৌঁছে স্থানে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উক্ত ব্যাক্তি পাঁচ দিন আগে বাগেরহাট জেলার বাদাল এলাকা থেকে তিনি কাজের জন্য একটি ঝুড়ি,একটা কোদাল আর ১৫০ টাকা নিয়ে ফকিরহাট আসেন বয়সের জন্য হয়তো তাকে কেউ কাজে নেয়নি বলে জানাজায়, তিনি ফকিরহাট থেকে হেটে হেটে কাজদিয়া আসলে কেউ একজন তাকে রূপসা বা তার আসপাশে কাজ পাবে বলে আশা দিয়ে পাঠিয়ে দেয়। এখানে এসেও কোনো কাজ না পেয়ে, পকেটে টাকা শেষ হওয়ার কারণে কিছু না খেতে পেরে শরীর ক্লান্ত হয়ে পরে যায়,তখন নৈহাটি গোডাউন মোড় দোকানদার’দের সহায়তায় ও রূপসা ফুড ব্যাংকের সহায়তা সুস্থ হয়,পরে সে নগদ অর্থ নিতে না চাওয়ায় তার কথামতো তাকে একটি মাছ ধরা জাল কিছু নগদ টাকা ও একটি টিশার্ট দেওয়া হয়। রূপসা ফুড ব্যাংক ও রূপসা গোডাউন মোড় বাজার দোকানদারদের সহয়তা পেয়ে ভিষন খুশি মনে বাড়ীতে ফিরেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি