২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রূপসায় স্মৃতিময় ছিরুখাল অবৈধ দখলে পানি নিষ্কাশনে বাধা জনদুর্ভোগ চরমে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শহীদুল্লাহ্ আল আজাদ. রূপসা প্রতিনিধিঃ

 

খুলনা জেলার রূপসা উপজেলায় ৩ নং ইউনিয়নের অন্তর্গত সরকারি সরুয়ার খাল যাকে মানুষ “ছিরুখাল” নামে বেশী চেনে। এই খালটি আঠারো বেকী নদী থেকে উঠে নিহালপুর, শ্রীরামপুর,নৈহাটি,ইলাইপুর, মাছুয়াডাংগা,আমদাবাদ,তিলক হয়ে ফকিরহাট- বাগেরহাটের দিকে চলে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে খালটি প্রভাবশালীদের দখলে থাকায় খালের দু’ পাশের এলাকার পানি সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ। সামান্য বৃষ্টিতেই হাজার হাজার মানুষ জলাবদ্ধতায় আটকে পড়ে। চরম জনদূর্ভোগ দেখা যায়। জনসাধারনের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যহত হয়। ঘর হতে বের হতে পারেনা অনেকে। আশপাশে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকার কারনে বিভিন্ন ধরনের রোগ ব্যাধির প্রকোপ দেখা যায়। আমাশয়,ডায়রিয়া,ডেংগুসহ মানুষ নানা ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে।এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় ডুবো পানিতে এডিস মশার বংশ বিস্তার করছে যার কারণে অত্র এলাকায় মানুষ মশারি ছাড়া খালি ঘরে থাকতে পারেনা।

এলাকাবাসী ক্ষোভের সাথে আরো বলেন খালটি ভূমি দস্যুরা দখল করে এখানে বাঁধ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মাছের চাষ করছে এবং ডাঙ্গা জায়গায় নানা ধরনের গাছ গাছালি লাগিয়ে অবৈধভাবে ভোগ করছে। যার কারণে লক্ষ লক্ষ টাকা সরকারি রাজস্ব ফাঁকি হচ্ছে। এলাকার বিশিষ্টজনরা মনে করেন খালটি ভুমি দস্যুদের হাত থেকে দখলমুক্ত করে।ডাঙ্গা জায়গায় এলাকার ভূমিহীনদের জন্য আবাসস্থল ও খালের ভিতরের অংশের ভেড়ী গুলো উন্মুক্ত করে দিলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল হত, গোটা এলাকার হাজার হাজার মানুষ জলাবদ্ধতার হাত থেকে রেহাই পেত।

এলাকার সচেতন মহল সহ আপামর জনসাধারণ ।এই অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি