১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রামগড়ে বিএডিসির জায়গা দখলের চেস্টা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মোজাম্মেল হোসাইন রামগড় প্রতিনিধি ।

 

খগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার উপকন্ঠে অবস্থিত বিএডিসির (সার) সরকারি জায়গা দখলের জন্য ইটের দেওয়াল নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। পৌর সভার প্রাণ কেন্দ্রে এভাবে সরকারি জায়গা দখলের অপচেস্টার ঘটনায় পুরো এলাকায় বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃস্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়, রামগড় বিদ্যুৎ বিভাগ ও প্রেসক্লাব সংলগ্নে খাগড়াছড়ি সড়কের পাশে অবস্থিত বিএডিসির(সার) পরিত্যক্ত গুদামের সীমানার ভিতরে জায়গা দখলের উদ্দেশ্যে ইটের দেওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করে জনৈক ব্যক্তি। শনিবার সকালে কাজ শুরুর পর খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহকারি পরিচালক মো: নুরুল আফছার রাঙ্গামাটি থেকে এসে পুলিশের সহায়তায় কাজ বন্ধ করে দেন। মহকুমা থাকাকালীন পাকিস্তান আমলে এখানে বিএডিসির সারের গুদাম ও অফিস ভবন নির্মিত হয়। নব্বইর দশকে উপজেলা পর্যায়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ার পর বিশাল আকারের গুদাম ও অফিসসহ স্থাপনাগুলো পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। এ সুযোগে অসাধু ব্যক্তিরা উচ্চ মূল্যের সরকারি এ জায়গা জবর দখলের চেস্টায় লিপ্ত হয়।

বিএডিসির(সার) রাঙ্গামাটির সহকারি পরিচালক মো: নুরুল আফছার বলেন, পরি‌ত্যক্ত গুদামের পশ্চিম পাশে জনৈক ব্যক্তি সরকারি ভূ সম্পদ দখলের উদ্দেশ্যে ইটের পাকা দেওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করে। গুদামের সীমানা পিলারের অভ্যন্তরে জায়গা দখলের চেস্টার খবর পেয়ে তিনি শনিবার রামগড়ে এসে পুলিশের সহায়তায় কাজ বন্ধ করে দেন। তিনি আরও জানান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মহোদয়কেও লিখিতভাবে অবহিত করা হবে।

রামগড় থানার ওসি মোহাম্মদ সামছুজ্জামান বলেন, সংংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তার কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে সরকারি সম্পদ রক্ষার জন্য পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেওয়াল নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়। তিনি আরও বলেন, আবু মিয়া নামে জনৈক ব্যক্তি জায়গাটি তার বলে দাবি করছে। এ কারণে উপজেলা নির্বাহি অফিসার, এসি ল্যান্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিএডিসির সরকারি জায়গা পরিমাপ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এদিকে, প্রাচীন এ সরকারি বিভাগের সীমানার অভ্যন্তরে সাধারণের জায়গা থাকার দাবির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে সচেতন মহলে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি