২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রামগড়ের দুই ইউপি নির্বাচনে শত প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

মোঃ মোজাম্মেল হোসাইন

রামগড় প্রতিনিধি ।

 

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার সদর ও পাতাছড়া দুইটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদে শত প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে।বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ না নিলেও আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিছিয়ে নেই নারী সদস্যরাও।দুই ইউনিয়নে ১৩ জন চেয়ারম্যান ২২জন নারী সদস্য ৬৫ জন পুরুষ সদস্য মিলে মোট ১শ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর)মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিনে রামগড় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সেঞ্চুরি পরিমাণ মনোনয়ন পত্র জমার তথ্য জানা যায়।নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়,স্থানীয় পরিষদের ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে এক নং রামগড় সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মোঃ শাহআলম (আওয়ামী লীগের মনোনীত)আবুল হাশেম খাঁ, খায়েজ আহাম্মদ,করিমুল হক মজুমদার, দেলোয়ার হোসেন,আবদুল মান্নান,মো: ইউনুছ,কাজী আবু আহাম্মদ আইয়ুব, ও সুজাই চৌধুরী এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৯ জন ও পুরুষ সদস্য পদে ৩৬ মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে।অন্য দিকে দুই নং পাতাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে কাজী নুরুল আলম( আওয়ামী লীগের মনোনীত) মনিন্দ্র ত্রিপুরা(বর্তমান চেয়ারম্যান),বরুন বিকাশ রোয়াজা ও অংসালা মারমা এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৩ জন,পুরুষ সদস্য পদে ২৯ জন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে। নির্বাচন অফিস সূত্রে আরও জানা যায়,২৬ শে ডিসেম্বর দুই ইউনিয়নে ১৮টি ভোট কেন্দ্রের ৫৮টি বুথে ২০ হাজার ৬শ ৮৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন২০২১ এর তফসিল অনুযায়ী ২৯ নভেম্বর প্রার্থীদের আবেদন পত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। বাছাইয়ে বৈধ প্রার্থীগণ ৩০ শেষ নভেম্বর থেকে ২ রা ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করার সুযোগ পাবেন।এরপর প্রতিক বরাদ্দ দেওয়া এবং ২৬ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।