১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

রাঙ্গাামটিতে কর্মরত সাংবাদিকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

।।রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি।।

করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ রাঙ্গাামটিতে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ১৯জন সাংবাদিককে ১০হাজার টাকা করে ১লক্ষ ৯০হাজার টাকার প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

 

সোমবার সকালে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সাংবাদিকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান করেন জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান।

 

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ মামুন, প্রেসক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল ও দৈনিক গিরিদর্পণ পত্রিকার সম্পাদক একেএম মকছুদ আহমেদ। এসময় জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) বোরহান উদ্দিন মিঠুসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকর্মীরাও ক্ষতিগ্রস্থ গণমাধ্যম কর্মীদের পাশে থেকে সরকার যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করে যাচ্ছে এবং এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

 

যারা প্রধানমন্ত্রীর অনুদান পেয়েছেন তারা হলেন- ১. অলি আহমেদ, জেলা প্রতিনিধি বার্তা সংস্থা ইউএনবি, ২. একেএম মকছুদ, জেলা প্রতিনিধি দৈনিক ইত্তেফাক ৩. আনোয়ার উল হক, সম্পাদক দৈনিক রাঙ্গামাটি ৪. সুপ্রিয় চাকমা, ফটোগ্রাফার প্রথম আলো ৫. পুলক চক্রবর্তী, জেলা প্রতিনিধি এটিএন বাংলা ৬. সৈয়দ মাহাবুব, স্টাফ রিপোর্টার দৈনিক ইনকিলাব ৭. সামসুল আলম জেলা প্রতিনিধি, কলকাতা টিভি ৮. মোহাম্মদ আলী, নিজস্ব সংবাদদাতা দৈনিক জনকণ্ঠ ৯. মোহাম্মদ ইলিয়াস, জেলা প্রতিনিধি সময়ের আলো ১০. শংকর হোড়, ডেস্ক এডিটর দৈনিক পার্বত্য চট্টগ্রাম ১১. মনসুর আহমেদ, খন্ডকালীন সংবাদদাতা বাসস ১২. শফিকুর রহমান, জেলা প্রতিনিধি বাংলাদেশ টুডে ১৩. মোঃ হান্নান, জেলা প্রতিনিধি আলোকিত বাংলাদেশ ১৪. মঈন উদ্দিন বাপ্পী, জেলা প্রতিনিধি বিডিনিউজ২৪ ১৫. জাহেদা বেগম, জেলা প্রতিনিধি বিটিভি ১৬. মিল্টন বাহাদুর, জেলা প্রতিনিধি জিটিভি ১৭. উচিংছা রাখাইন কায়েস, জেলা প্রতিনিধি একাত্তর টিভি ১৮. শিশির কুমার দাশ, ফটো সাংবাদিক দৈনিক গিরিদর্পণ ১৯. ইকবাল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার দৈনিক রাঙ্গামাটি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি