১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সদস্য ও কর্মকর্তাদের সাথে পার্বত্য সচিবের মতবিনিময়।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি।।

পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে এ অঞ্চলের চাহিদার সাথে মিল রেখে প্রকল্প নেওয়ার উপর জোর দিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোসাম্মৎ হামিদা বেগম। তিনি বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদগুলি এলাকার উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানগুলো মাঠ পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান হিসাবে বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিবেশ এবং স্থানীয় চাহিদার ওপর ভিত্তি করে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে পারে। তিনি, দূর্গম এলাকার মানুষের কল্যানে পরিষদের হস্তান্তরিত বিভাগগুলোকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আহবান জানান।

 

শুক্রবার (২৭ আগস্ট) সকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাঃ আশরাফুল ইসলাম, সদস্য প্রর্বতক চাকমা, সদস্য বিপুল ত্রিপুরা, সদস্য বাদল চন্দ্র দে, সদস্য প্রিয়নন্দ চাকমা, সদস্য ঝর্ণা খীসা, সদস্য দিপ্তীময় তালুকদার, সদস্য অংসুইছাইন চৌধুরী, সদস্য আসমা বেগম, সদস্য সবির কুমার চাকমা, সদস্য নিউচিং মারমা, সদস্য ইলিপন চাকমা, সদস্য আব্দুর রহিম, সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, নির্বাহী প্রকৌশলী বিরল বড়ুয়া, সহকারি প্রকৌশলী জ্যোতির্ময় চাকমা, হিসাব ও নিরীক্ষা কর্মকর্তা মোঃ খোরশেদুল আলম চৌধুরী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনতোষ চাকমাসহ হস্তান্তরিত বিভাগের সকল বিভাগীয় কর্মকর্তাগণ।

 

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোসাম্মৎ হামিদা বেগম আরো বলেন, বাংলাদেশ আগের জায়গায় নেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেষ্টায় আমরা উন্নত দেশে পৌঁছে গেছি। এতে করে সরকারের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধারাবাহিকতা আমাদের সবাইকে ধরে রাখাতে হবে।

তিনি পার্বত্য এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে মন্ত্রণালয়ের সাথে যেকোন বিষয়ে আলোচনা, পরামর্শ বা সহযোগিতার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতা থাকবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

 

সভাপতির বক্তব্যে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন এবং পার্বত্য এলাকার সার্বিক অবস্থা বুঝার জন্য সচিবের আগমন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ইতিবাচক। তিনি বিভিন্ন বিভাগের জনবল ঘাটতি পূরণে মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করেন।

 

পরে জেলা পরিষদের অর্থায়নে রাঙ্গামাটি লেকার্স পাবলিক স্কুলের নির্মাণাধীন ব্রীজের কাজের পরিদর্শন করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি