২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

রাঙ্গামাটির সদর উপজেলায় জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি :

” নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ – মুজিব বর্ষে বাংলাদেশ ” এই স্লোগানে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর অনুদান হিসেবে মাছ আহরণ নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল সকালে রাঙ্গামাটি শহরের ফিশারী বাঁধে ও তবলছড়ির খাদ্য গুদামে জেলেদের মাঝে খাদ্য সহায়তা হিসেবে এ চাল বিতরণ করা হয়। সাপছড়ি ইউনিয়নের ২৫৮ জন ও কুতুকছড়ি ইউনিয়নের ৭. ৮. ৯ নং ওয়ার্ডে ১৭৫ জন, মগবান ইউনিয়নে ৫৮৫ জনসহ মোট ১ হাজার ১৮ জন জেলের মাঝে ভিজিএফের ২০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।

বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন – সদর উপজেলা প্যানেল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মো. আরশাদ বিন শাহিদ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবদুর রশিদ, ২ নং মগবান ইউপি চেয়ারম্যান পুষ্প রঞ্জন চাকমা, ৩ নং সাপছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মৃণাল কান্তি চাকমা, ৪ নং কুতুকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান কানন চাকমাসহ ইউপি সদস্যবৃন্দ প্রমূখ।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদ। প্রতিবছর ১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাস মাছের বংশ বিস্তার ও প্রাকৃতিক প্রজনন বাড়াতে কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়। হ্রদে পানি প্রয়োজনীয় পরিমাণে না বাড়ায় আবারও ৩১ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত ১০ দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব ধরনের মাছ ধরা, বাজারজাতকরণ এবং পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে থাকে বিএফডিসি। এছাড়া কাপ্তাই লেকে নৌ-পুলিশের সহায়তায় বিএফডিসির নিয়মিত টহল অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি