১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রাঙ্গামাটিতে সফল মৎস্যচাষীদের পুরষ্কার প্রদান এবং সুফল ভোগীদের মৎস্যচাষের উপকরণ বিতরণ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি।

“বেশি বেশি মাছ চাষ করি, বেকারত্ব দূর করি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে সফল মৎস্যচাষীদের পুরষ্কার প্রদান এবং সুফল ভোগীদের মৎস্যচাষের উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

 

রোববার (২৯ আগস্ট) সকালে রাঙ্গামাটির মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের নদী উপকেন্দ্রের মিলনায়তন কক্ষে এ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মারুফ আহম্মেদ, পাবর্ত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য মোঃ কামাল উদ্দিন, পাবর্ত্য জেলা পরিষদের মৎস্য বিষয়ক আহ্বায়ক ও সদস্য মোঃ আব্দুর রহিম।

 

এছাড়া রাঙ্গামাটি বিএফডিসির ব্যবস্থাপক নৌ কমান্ডার মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা উপমা, সদর উপজেলা প্যানেল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান দুর্গেস্বর চাকমা প্রমূখ সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এর আগে রাঙ্গামাটি জেলা মৎস্য অফিস কর্তৃক কাপ্তাই লেকে বিএফডিসি ঘাটে কার্প জাতীয় পোনা মাছ অবমুক্তকরণ করা হয়।

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে সফল মৎস্য চাষীদের পুরষ্কার প্রদান এবং সুফল ভোগীদের মৎস্যচাষের উপকরণ বিতরণ করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি