২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, রংপুর এর অক্টোবর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, রংপুর এর অক্টোবর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স মিলনায়তন কক্ষে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, রংপুর এর অক্টোবর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোহাঃ আবদুল আলীম মাহমুদ বিপিএম। এসময় পুলিশ কমিশনার অক্টোবর /২০২১ মাসে রংপুর মহানগরী এলাকায় সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড সংক্রান্তে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ পর্যালোচনাপূর্বক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন-শৃংখলা রক্ষায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।এছাড়াও রংপুর নগরীর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা বিধানসহ ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে আরপিএমপির বিভিন্ন পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী পুলিশ সদস্যদের ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং অর্থ পুরষ্কার প্রদান করেন।
আরপিএমপির ক্রাইম বিভাগের মধ্যে, শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন এসআই (নিঃ)মোঃ মনোয়ার হোসেন, কোতয়ালী থানা। শ্রেষ্ঠ এ.এসআই হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন এএসআই (নিঃ)মোঃ মুনমুন, কোতয়ালী থানা।আরপিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে, শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন এএসআই (নিঃ) মোঃ তৈবুর রহমান।আরপিএমপি ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে, শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন সার্জেন্ট,মোঃ গোলাম আযম, ট্রাফিক উত্তর।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিঃ পুলিশ কমিশনার মোঃ মেহেদুল করিম, পিপিএম-সেবা, সকল উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, সহকারী পুলিশ কমিশনারগণ, সকল থানার অফিসার ইনর্চাজগণসহ অন্যান্য অফিসারৃবন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।