১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

রংপুর বেরোবি দুই ছিনতাই এর ঘটনায় মারাত্বক জখম শিক্ষার্থী ছিনতাই হলো শিক্ষকের মোবাইল ফোন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রিয়াজুল হক সাগর রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের পরাগ মাহমুদ নামের এক শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১নং গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ওই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

জানা যায়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী পরাগ মাহমুদ পার্কের মোড় পারকভিউ ছাত্রাবাস হতে সরদারপাড়ায় তার বন্ধুর ছাত্রাবাসে যাওয়ার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১নং গেটের পূর্ব পাশে মর্ডান মোড়ের দিক থেকে আসা ১৮/১৯ বছর বয়সী তিনজন ছেলে তাকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে তার ব্যবহৃত ফোন চাইলে সে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ সময় তিনজনের একজন প্যান্টের ভেতর থেকে একটি চাপাতি বের করে পরাগের ডান হাতে কোপ দিয়ে তার ফোনটি কেড়ে নিয়ে চলে যায়। পরে গুরুতর জখম অবস্থায় পরাগকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়।

অপরদিকে একই দিন (শুক্রবার) ভোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক মনিরুজ্জামান মজনু নগরীর লালবাগে ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হয়েছে।

ওই শিক্ষক ভোরে মর্নিং ওয়ার্কে বের হয়ে লালবাগ যাওয়ার পথে ছিনতাইকারীরা তার ব্যবহ্ত মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় ও কুপিয়ে জখম করে। পরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পৃথক এই দুটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর গোলাম রব্বানী জানান, রাতে কয়েকজন ছিনতাইকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে তার মুঠোফোনটি নিয়ে যায়। শিক্ষার্থী বিষয়টি আমাকে অবহিত করলে, আমি রাত সাড়ে চারটার দিকে ওই শিক্ষার্থীকে মেডিকেলে দেখতে যাই। বর্তমানে সে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছে।

তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে আমাদের আর এক শিক্ষক প্রতিদিনের ন্যায় সকালে হাঁটতে গেলে তিনিও ছিনতাইকারীর আঘাতে জখম হন।

বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ফের ছিনতাইকারীর এসব ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কর্মতৎপরতা বৃদ্ধিসহ এসব ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে ছিনতাইকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি