২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

রংপুর বিভাগে বন্যায় ৩০ হাজার হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রিয়াজুল হক সাগর রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

চলতি মৌসুমের বন্যায় রংপুর বিভাগের ৪ জেলা কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও রংপুরে প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। নিমজ্জিত ফসলের মধ্যে রয়েছে রোপা আমন, আমনের বীজতলা ও শাকসবজি। পানি সরে গেলে এসব ফসলের অধিকাংশই পুনরায় চাষ যোগ্য হবে না বলে মনে করছেন কৃষকরা।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বন্যায় রংপুর অঞ্চলে মোট ২৯ হাজার ৩২১ দশ ৫ হেক্টর জমির ধান, ধানবীজ ও শাকসবজি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে রোপা আমন ২৮ হাজার ৯০১ হেক্টর, বীজতলা ১১৪ দশমিক ৫ হেক্টর এবং শাকসবজি নিমজ্জিত হয়েছে ৩১৫ হেক্টর জমির। এর মধ্যে রংপুরে বীজতলা ৫ হেক্টর, আমন ৬৮ হেক্টর, গাইবান্ধায় ধান ১ হাজার ৫৩৫ হেক্টর,শাকসবজি ২০ হেক্টর। তথ্য মতে এই জেলায় বীজতলা নিমজ্জিত হয়নি। কুড়িগ্রামে বীজতলা নিমজ্জিত হয়েছে ১১৫ হেক্টর, আমন ২৬ হাজার ৪০৫ হেক্টর এবং শাকসবজি ২৮৫ হেক্টর। লালমনিরহাটে আমন ধান নিমজ্জিত হয়েছে ৮৯৩ হেক্টর।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের আব্দুল মোমিনসহ বেশকজন কৃষক জানান, তাদের ধান এখনো নিমজ্জিত রয়েছে। পানি সরে গেলেও ওই ধান থেকে ফলন হবে না বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক বিধু ভূষন জানান, বন্যায় নিমজ্জিত ফসলের পরিসংখ্যান করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনে মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগ কাজ করছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি