১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

রংপুর থেকে অপহৃত দুই স্কুলছাত্রী গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধার গ্রেফতার দুই।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রিয়াজুল হক সাগর রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

রংপুরের কাউনিয়া থেকে অপহৃত দুই স্কুলছাত্রীকে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে কাউনিয়া থানা পুলিশ।অপহরণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নাকির হোসেন লিটন (১৯) ও হাসিনা বেগম (৩৯) নামে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর)রাতে কাউনিয়া থানার ওসি মাসুমুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে গাজীপুর মেট্টোপলিটন গাছা থানা ও পুবাইল থানাধীন এলাকা থেকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়।গ্রেফতার নাকির হোসেন লিটন কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের হাসেম আলী ছেলে ও হাছনা বেগম কুর্শা ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের মোখলেছুর রহমানের মেয়ে।

পুলিশ জানায়, গত বছরের ১০ মার্চ সকালে বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় দশম শ্রেণির ছাত্রী ওই স্কুলছাত্রী (১৬) নিখোঁজ হয়। দীর্ঘদিন খোঁজাখুঁজির পর মেয়েটির বাবা জানতে পারেন নাকির হোসেন লিটনের প্রলোভনে তার মেয়ে ঢাকায় অবস্থান করছে। এ ঘটনায় গত ২৯ আগস্ট মেয়েটির বাবা নাকির হোসেন লিটন ও তার পিতা হাসেম আলীকে আসামি করে কাউনিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে।

এরপর নাকির হোসেন লিটনকে থানায় ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার দেয়া তথ্যমতে গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে ঢাকার গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের সহযোগিতায় গাছা থানাধীন খাইলকুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে পুলিশ।

অপরদিকে গত ২৪ মে কাউনিয়া উপজেলার বাহাগিলী গ্রামে মাদরাসায় যাওয়া পথে স্থানীয় নবম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৫) অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখে পীরগাছা উপজেলার জগতপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে ওয়ালিদ হোসেন জীম (১৬)। এ অপহরণে সহযোগিতা করেন ওয়ালিদের মা হাসিনা বেগম।

এ ব্যাপারে গত ২৯ আগস্ট মেয়টির বাবা ওয়ালিদ হোসেন জীম ও হাসিনা বেগমকে আসামি করে থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের পর পুলিশের একটি দল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাসিনা বেগমকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের সহযোগিতায় পুবাইল থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অজ্ঞাত বাড়ি থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে পুলিশ।

কাউনিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুমুর রহমান জানান, উদ্ধারকৃতদের পরিবারের কাছে ও দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি