১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রংপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শালক সহ দুই দুলাভাই নিহত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রিয়াজুল হক সাগর রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

রংপুরের বদরগঞ্জে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কায় দুই দুলাভাইসহ শ্যালক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (০৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার খিয়ারপাড়ার নাটারাম-পদাগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- চট্টগ্রামের হালিশহর উপজেলার আবদুল গফুরের ছেলে ইউসুফ আলী (৩৬), নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বাচ্চু শিকদারের ছেলে নাহিদ শিকদার (২৪) এবং বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নাটারাম খিয়ারপাড়া গ্রামের রনি মিয়া (২০)। নিহত ইউসুফ ও নাহিদ সম্পর্কে ভায়রা। তিন দিন আগে বদরগঞ্জের নাটারাম খিয়ারপাড়া গ্রামে দুজন একসঙ্গে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। রনি মিয়া ওই দুজনের শ্যালক।

দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বদরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, মঙ্গলবার রাতে ইউসুফ আলী ও নাহিদ শিকদার মোটরসাইকেলে শ্যালক রনি মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে বের হন। তাদের গন্তব্য ছিল পার্শ্ববর্তী মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জ বাজার। কিন্তু বেপরোয়া গতির কারণে খিয়ারপাড়া এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশের একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলচালক ইউসুফ আলী মারা যান। এ সময় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন রনি মিয়া ও নাহিদ শিকদার। স্থানীয় লোকজন আহত দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তারা মারা যান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি