২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

রংপুরে বয়সের ভাঁড়ে নুয়ে পড়লো ১৫০ বছরের পুরনো গাছ: যান চলাচল বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি

রংপুরের পীরগাছায় হঠাৎ করেই উপড়ে পড়েছে ১৫০ বছরের পুরাতন বিশাল আকৃতির পাইকর গাছ। এসময় গাছে নিচে থাকা দুইট দোকানঘর ও একটি বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙ্গে পড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। আজ মঙ্গলবার সকাল ৫ টার দিকে রংপুর-পাওটানাহাট সড়কের শরীফ সুন্দর পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ওই সড়কে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ মঙ্গলবার সকাল ৫ টার দিকে হঠাৎ করেই বিশাল আকতির পাইকর গাছটি উপড়ে রাস্তার উপর পড়ে যায়। এসময় গাছের নিচে থাকা বানিয়াটারী গ্রামের কাশেম মন্সি ও টাঙ্গাইল পাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন এর দুইটি বন্ধ থাকা দোকান ও একটি বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার সময় ওই দোকানে কোন লোকজন ছিল না। ফলে ওই সড়ক দিয়ে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এছাড়া একটি বিদ্যুতের পিলার উপড়ে তার ছিড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।

এলাকাবাসী জহুরুল ইসলাম, আনারুল ইসলাম, মাসুদ রানা বলেন, কোন ঝড়-বাতাস নেই। হঠাৎ করেই সকালে গাছটি উপড়ে রাস্তার উপর পড়ে। গাছটি একশ থেকে দেড়শ বছরের পুরাতন।
ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান, গুরুতপূর্ণ এই সড়কটি বন্ধ থাকায় চলাচলে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। কিছু যানবাহন কালিগঞ্জ হয়ে পীরগাছা উপজেলা সদর দিয়ে চলাচল করছে। আমরা গাছটি দ্রæত অপসারণের দাবি করছি।
পীরগাছা ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায় বলেন, আমরা খবর পেয়েই গাছটি অপসারণ করার জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু অনেক বড় গাছ হওয়ায় আমাদের যন্ত্রপাতি না থাকায় আমরা ইউএনওকে জানিয়েছি।
এ বিষয়ে পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ শামসুল আরেফীন বলেন, গাছটি অপসারণে পীরগাছা ফায়ার সার্ভিসের যন্ত্রপাতি না থাকায় তারা ফিরে এসেছে। পরে রংপুর জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি