১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রংপুরের পীরগাছায় ৫ মিনিটের ব্যবধানে বৃদ্ধাকে দুই ডোজ করোনার টিকা প্রদান।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রিয়াজুল হক সাগর রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

রংপুরের পীরগাছায় আছিয়া খাতুন (৭৯) নামের এক বৃদ্ধাকে ৫ মিনিটের ব্যবধানে দুই ডোজ করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। আছিয়া খাতুন উপজেলার কৈকুড়ী ইউনিয়নের মধ্যপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল হকের স্ত্রী।

বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার সময় পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকাদান কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

আছিয়া খাতুনের পুত্রবধূ রওশন আরা বলেন, আমার শাশুড়ি ও স্বামীসহ সকাল ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছানোর পর বুথে দ্বিতীয় ডোজ টিকার জন্য কার্ড জমা দেওয়া হয়। কার্ড ফেরত দেওয়ার পর টিকা দেওয়ার কক্ষে গেলে প্রথমে আমার শাশুড়ির ডান হাতে একটি টিকা দেয়। এরপর আমি টিকা নিয়ে এসে দেখি আবারও ডান হাতেই তাকে টিকা দেওয়া হয়েছে। আমার শাশুড়ি নিষেধ করার পরেও দ্রæত টিকা দেওয়া সম্পন্ন করা হয়। পরে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানালে আমার শাশুড়িকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

বৃদ্ধার ছেলে খোরশেদ আলম বলেন, মাকে নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছি। তবে ডাক্তাররা বলেছেন কোন সমস্যা হবে না। এখন মাকে নিয়ে বাড়িতে ফিরেছি।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবু আল হাজ্জাজ বলেন, পরপর দুইবার টিকা নেওয়া ওই বৃদ্ধাকে প্রায় এক ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। কোন সমস্যা হয়নি। সমস্যা হলে ওই সময়ের মধ্যেই হতো। যেহেতু কোন সমস্যা হয়নি তাই তাকে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

রংপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. হিরম্ব কুমার রায় বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখতেছি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি