১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় গৃহবধুর লাশ পুকুরে স্বামী পলাতক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রিয়াজুল হক সাগর রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

গঙ্গাচড়ায় এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহতের পরিবারকে ম্যানেজ করে রফাদফা।গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের উত্তর পানাপুকুর মাল্লীপাড়া গ্রামে আজ রবিবার এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। ঘটনার পর ওই গৃহবধুর স্বামী পলাতক রয়েছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উত্তর পানাপুকুর মাল্লীপাড়ার সেত্তার আলীর পুত্র জিয়াউল ইসলাম (৪৩) এর সাথে তার স্ত্রী উম্মেহানীর (৩৮) পারিবারিক বিষয় নিয়ে মতবিরোধ চলে আসছিলো। ঘটনার দুদিন আগ থেকে জিয়াউল তার স্ত্রীকে প্রায় সময় মারধর করে। রবিবার সকালে বাড়ির পাশে পুকুরে উম্মেহানীর লাশ ভেসে থাকতে দেখে লোকজন। এলাকার লোকজনের ধারনা জিয়াউল তার স্ত্রীকে হত্যা করে বিষয়টি ভিন্নখাতে নেওয়ার জন্য পুকুরে মরদেহ ফেলে দেয়। এদিকে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন ও ওসি তদন্ত নুর আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ থানায় নিয়ে আসেন।অপরদিকে বিষয়টি আপোষের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে চেষ্টা করে জিয়ার পরিবারের লোকজন। উম্মেহানীর বাবা রেয়াজুল ও ভাইয়েরা আপোষের শর্ত দেয়। ফলে মৃতের ভাই মাহমুদুল বাদী হয়ে থানায় ইউডি মামলা করেন।

ইউপি চেয়ারম্যান আফজালুল হক রাজু জানান, মৃতের ছেলের নামে কিছু জমি লেখা দেয়া ও উম্মেহানীর আত্মীয়র পাওনা টাকা বাবদ জিয়াউলের ট্রলি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, থানায় ইউডি মামলা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পেলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি