২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

রংপুরের কাউনিয়ায় প্রায় দেড় কেজি গাঁজা সহ গ্রেফতার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

রংপুরের কাউনিয়ায় প্রায় দেড় কেজি গাঁজা সহ মাহাফুল ইসলাম (৩৮) ও আসাদুল ইসলাম আসিক (২৫) নামে দুইজন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৩। বুধবার উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের মীরবাগ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিরঞ্জনের হোটেলের সামনে থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত মাহাফুল ইসলাম উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের মীরবাগ ধর্মেশ্বর ড্রাইভারপাড়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে ও আসাদুল ইসলাম আশিক একই ইউনিয়নের উত্তর বাহাগিলী গ্রামের মৃত শফিয়ত ইসলামের ছেলে।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদেরকে রংপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে কাউনিয়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সেলিমুর রহমান সেলিম নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে গত বুধবার র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৩ ডিএডি আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে মাহাফুল ইসলাম ও আসাদুল ইসলাম আসিককে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে কাউনিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সামিউল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩ রংপুর এর একটি আভিযানিক দল বুধবার দুপুরে মীরবাগ বাসস্টান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিরঞ্জন হোটেলের সামন থেকে মাহাফুল ইসলাম ও আসাদুল ইসলাম আসিককে আটক করে। এসময় মাহাফুলের কাছে এককেজি ও আশিকের কাছ থেকে ৬০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে র্যাব। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের দাম প্রায় ৩২ হাজার টাকা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি