২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

যাঁরা আদিতমারী উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০২১ এর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

 

সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় তা শেষ হয়। প্রাপ্ত ভোট গণনা শেষে রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। উক্ত ফলাফলে বেশির ভাগ ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

 

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের ৬টিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

 

রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১নং দূর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোঃ আসাদুজ্জামান নান্নু (নৌকা) প্রতীকে ৬হাজার ১শত ৬৮টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সালেকুজ্জামান প্রামানিক (ঘোড়া) প্রতীকে ৩হাজার ৫শত ৭৮টি ভোট পেয়েছেন।

 

২নং ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোহাম্মদ আলী (নৌকা) প্রতীকে ৮হাজার ৮শত ৬৬টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আজাহারুল ইসলাম (হাতপাখা) প্রতীকে ৭হাজার ২০টি ভোট পেয়েছেন।

 

৩নং কমলাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোঃ মাহমুদ ওমর চিশতী (নৌকা) প্রতীকে ৬হাজার ৩শত ১৭টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আলা উদ্দিন আলাল (হাতপাখা) প্রতীকে ৪হাজার ৭শত ২৩টি ভোট পেয়েছেন।

 

৪নং সারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে হুমায়ুন কবির (মোটর সাইকেল) প্রতীকে ৫হাজার ৫শত ২৭টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আজিজুল ইসলাস প্রধান (নৌকা) প্রতীকে ৪হাজার ৫শত ৭৮টি ভোট পেয়েছেন।

 

৫নং সাপ্টীবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আব্দুস সোহরাব (নৌকা) প্রতীকে ৬হাজার ৯শত ৩৮টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শামসুদ্দিন (হাতপাখা) প্রতীকে ৪হাজার ৪শত ৪৩টি ভোট পেয়েছেন।

 

৬নং ভাদাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কৃঞ্চ কান্ত রায় বিদুর (নৌকা) প্রতীকে ৬হাজার ৫শত ৯০টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন রোকনুজ্জামান রোকন (আনারস) প্রতীকে ৫হাজার ২শত ২২টি ভোট পেয়েছেন।

 

৭নং পলাশী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোঃ আলাউল ইসলাম ফাতেমী পাভেল (ঘোড়া) প্রতীকে ৫হাজার ৮শত ৭৩টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আবু হিয়া ইউনুছ আহমেদ (মোটর সাইকেল) প্রতীকে ৫হাজার ৫শত ২৪টি ভোট পেয়েছেন।

 

৮নং মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোসাদ্দেক হোসেন চৌধুরী (নৌকা) প্রতীকে ৬হাজার ৩শত ৮৯টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মমতাজ উদ্দিন (মোটর সাইকেল) প্রতীকে ৫হাজার ৭শত ৫৩টি ভোট পেয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।