২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

যশোরের শার্শায় স্বর্ণ আত্নসাতের ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য ক্লোজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সাগর হোসেন,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: ভারতে পাচারকালে দুই স্বর্ণ বহনকারীকে আটক করে স্বর্ণ আত্নসাত করার অভিযোগে শার্শার বাগআঁচড়া পুলিশ ক্যাম্পের তিন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করা হয়েছে।

ক্লোজ হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলো, এএসআই তবিবুর রহমান, এএসআই রঞ্জন ও কনষ্টবল তুষার। এ ব্যাপারে ওই তিনজনকে স্বর্ণ আত্নসাতের অভিযোগে যশোর পাঠানো হয়েছে ।

বাগআঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুখদেব জানায়, গতকাল সোমবার বিকাল ৫ টার সময় স্বর্ণ চোরাচালানি বেনাপোল পোর্ট থানার সাজেদুর রহমান ও আক্তার হোসেনকে এএসআই তবিবুর, এএসআই রঞ্জন ও কনষ্টবল তুষার আটক করে ক্যাম্পে না এনে স্বর্ণ রেখে তাদের ছেড়ে দেয়। স্বর্ণ আটকের কোন তথ্যও তারা ক্যাম্প ইনচার্জকে অবহিত না করে তারা আত্নসাতের জন্য নিজেদের কাছে রেখে দেয়। এ ঘটনা জানাজানি হলে তাৎক্ষনিক ওই তিনজন পুলিশ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদে সত্যতা মেলে। স্বর্ণ আত্নসাতের ঘটনায় শার্শা থানায় একটি মামলা হয়েছে বলে তিনি জানান এবং তাদের কাছ থেকে আত্নসাতকৃত ৮ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তাদের যশোরে পাঠানো হয়েছে। মামলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো উপর থেকে কোন সিদ্ধান্ত আসে নাই। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি