২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রীবরদী সরকারি কলেজে পাঠদান শুরু।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এস.এম.আরফান আলী:

দীর্ঘ ১৭ মাস বন্ধের পর খুললো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘ অচলাবস্থা শেষে দেশজুড়ে সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসায় শুরু হয় শ্রেণীকক্ষে পাঠদান। এ নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় চলে উৎসবের আমেজ। শিক্ষক ও কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত ছিলো। তবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস থাকলেও অভিভাবকদের মধ্যে এখনো কিছুটা আতঙ্কও রয়ে গিয়েছে।

 

 

এরই ধারাবাহিকতায় ১২ ই সেপ্টেম্বর (রবিবারর) শেরপুর জেলার শ্রীবরদী সরকারি কলেজে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয় কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণ। এক ভিন্ন ভাবে বরণ করে নেন কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীরা।

করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর কলেজে ফিরলেন শিক্ষার্থীরা। যারা একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছে, তাদের জন্য আজই ক্লাসের প্রথম দিন। এজন্য কলেজের মাঠ ও আসেপাশে ভিন্ন ভিন্ন রঙ্গের নিশান ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক ব্যানার টানানো ছিলো।

 

এদিকে শ্রীবরদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এ.কে. এম আলিফ উল্লাহ আহসান ও উপাধ্যক্ষ আকরামুল এবং অন্যান্য শিক্ষকরা কলেজের প্রত্যেক শ্রেনী কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে কোভিড ১৯ এর বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক দিক আলোচনা করেন।

এদিকে কলেজ খুলে দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মনে আনন্দ উল্লাস লক্ষ্য করা যায়।

এব্যাপারে একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী ওয়াহিদুজ্জামান সৌরভ জানায়,দীর্ঘদিন পরে কলেজে আসতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা যেন এভাবেই বাকি ক্লাস গুলো করে যেরে পারি।

এব্যাপারে ৩৩ তম বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা ও কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রভাষক রিফাত আহমেদ জানান, আমরা শ্রেনী কক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস চলমান রাখবো। যেন শিক্ষার্থীরা তাদের ক্ষতি পুষাতে পারে।

 

অধ্যক্ষ প্রফেসর এ.কে.এম আলিফ উল্লাহ আহসান জানান, দীর্ঘদিন কলেজ বন্ধ থাকার পর আল্লাহর অশেষ রহমতে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে একত্রিত হয়েছেন। আশা করি স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরিধান করে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অংশ নিবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি