২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ময়মনসিংহ এইচএসসি পরীক্ষায় ৭০ হাজার ৯৪১ জন ছাত্রছাত্রী অংশ নেয়।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

খালেদ খুররম পারভেজ ,ময়মনসিংহ।

এইচএসসি পরীক্ষায় ২৮১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭০ হাজার ৯৪১ জন ছাত্রছাত্রী অংশ নিচ্ছে। ২ ডিসেম্বর থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা শুরু হবে, শেষ হবে ৩০ ডিসেম্বর।

 

ময়মনসিংহে পরীক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি আর শেরপুর পরীক্ষার্থী কম।প্রতিটি বিষয়ের এমসিকিউ ও সৃজনশীল পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

 

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের তথ্যে অনুসারে জেলায় ১৭ হাজার ৯৯৭ জন ছাত্র এবং ১৭ হাজার ৫৯৮ জন ছাত্রী।

মোট ১৩৪টি প্রতিষ্ঠানের ৩৫ হাজার ৫৯৫ জন পরীক্ষার্থী ৩৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়।

 

নেত্রকোনা জেলার ৪৩টি প্রতিষ্ঠানের ১২ হাজার ৪৩৭ জন পরীক্ষার্থী ২০টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদের মধ্যে পাঁচ হাজার ৬৮৪ জন ছাত্র এবং ছয় হাজার ৭৫৩ জন ছাত্রী।

 

জামালপুর জেলার ৭৫টি প্রতিষ্ঠানের ১৪ হাজার ৩৩০ জন পরীক্ষার্থী ২২টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদের মধ্যে ছয় হাজার ৮১৪ জন ছাত্র এবং সাত হাজার ৫১৬ জন ছাত্রী।

 

শেরপুর জেলার ২৯টি প্রতিষ্ঠানের আট হাজার ৫৭৯ জন পরীক্ষার্থী সাতটি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এদের মধ্যে চার হাজার ১৩৫ জন ছাত্র এবং চার হাজার ৪৪৪ জন ছাত্রী।

 

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. গাজী হাসান কামাল সাংবাদিকদের জানান স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র পাঠানো হয়েছে। বোর্ডের একাধিক ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন বোর্ডে কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে, যে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় ত্বরিত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।