১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০২১।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

আগামী রবিবার (২৮ নভেম্বর) তৃতীয় পর্বে সারাদেশের ন্যায় লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ সাধারণ নির্বাচন-২০২১ এর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

 

এ নির্বাচনে হাড় কাঁপানো শীতকে উপেক্ষা করে দিন-রাত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাকের পার্টি ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান, সদস্য, সদস্যা পদের প্রার্থীরা পাড়া-মহল্লার নির্বাচনী প্রচারণা বেশ জোরেশোরে চালিয়ে যাচ্ছেন অব্যাহত।

 

লালমনিরহাট সদর ভেটেরিনারি সার্জন ও মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ সাধারণ নির্বাচন-২০২১ রির্টানিং অফিসার ডাঃ চন্দন কুমার সরকার সূত্রে জানা যায়, মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬জন চেয়ারম্যান, ৪১জন সদস্য, ১৪জন সদস্যা পদের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান (নৌকা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুরুল ইসলাম (হাতপাখা), জাকের পার্টির হানিফ আলী (গোলাপফুল), স্বতন্ত্র আতোয়ার হোসেন (মোটর সাইকেল), গোলাম ফারুক (আনারস), শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ (ঘোড়া) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২৭১৮৮জন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মোঃ আঃ জব্বার (ঘুড়ি), মোঃ আঃ রহিম (বাদশা) (আপেল), মোঃ বাবুল হোসেন (ফুটবল), মোঃ মজিবর রহামন (টিউবওয়েল), মোঃ মহির উদ্দিন (মোরগ), মোঃ সাইফুল ইসলাম (বৈদ্যুতিক পাখা), শ্রী অবিনাশ চন্দ্র বর্মন (তালা), শ্রী বৌদ্ধ নাথ অধিকারী (ভ্যানগাড়ী) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪৪১জন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মোঃ জোনাব আলী (বৈদ্যুতিক পাখা), মোঃ নুর আলম মিয়া (তালা), মোঃ নাহিদ আবেদীন (ফুটবল), মোঃ মোসলেম উদ্দিন (টিউবওয়েল), মোঃ মহব্বত আলী (মোরগ) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২৭২৫জন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মোঃ জোনাব আলী (ফুটবল), মোঃ নজরুল ইসলাম (মোরগ), মোঃ নুর আমিন (টিউবওয়েল), মোঃ মজিবর রহমান (বৈদ্যুতিক পাখা), রাম প্রসাদ (তালা) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২২৪৩জন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মোঃ আমিনুল ইসলাম (টিউবওয়েল), মোঃ আসাদুল হক (ফুটবল), রনজিৎ কুমার (তালা), শ্রী জয়মুল্য চন্দ্র (বৈদ্যুতিক পাখা) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২৮৪৯জন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মোঃ আলতাব হোসেন (মোরগ), মোঃ ফজর আলী (টিউবওয়েল), মোঃ সাইফুল ইসলাম (তালা) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩২৫৭জন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন (মোরগ), মোঃ আব্দুস ছাত্তার (বৈদ্যুতিক পাখা), মোঃ আব্দুস ছালাম (ফুটবল), মোঃ দুলাল হোসেন (তালা), মোঃ নুর আমিন (টিউবওয়েল), মোঃ সফর আলী (ঘুড়ি) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২৭৮৯জন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মোঃ আশাদুল (টিউবওয়েল), মোঃ কফিল উদ্দিন (তাল), মোঃ বোরহান উদ্দিন (ফুটবল) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২৯৪১জন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মোঃ আইনুল হক (টিউবওয়েল), মোঃ আব্দুল মালেক (তালা), মোঃ মতিউল ইসলাম লিটন (আপেল), মোঃ শহর আলী (ফুটবল) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩২০৩জন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মোঃ আব্দুর রহিম (ফুটবল), মোঃ আশরাফুল আলম (তালা), মোঃ মীর হোসেন (মোরগ) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৭৪০জন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডের সদস্যা প্রার্থী মোছাঃ জাহানারা বেগম (বই), মোছাঃ জাহেদা বেগম (সূর্যমুখী ফুল), মোছাঃ লাভলী বেগম (হেলিকপ্টার), শ্রীমতি লতা দেবী (কলম), সাবিত্রী রানী রায় (তালগাছ) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৮৪০৯জন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডের সদস্যা প্রার্থী গীতা রানী রায় (তালগাছ), মোছাঃ নুরজাহান খাতুন (মাইক), মোঃ সেতারা খাতুন (কলম), শ্রীমতি মায়া রানী (হেলিকপ্টার), শ্রীমতি স্মৃতি রানী (বক) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৮৮৯৫জন।

 

মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডের সদস্যা প্রার্থী মোছাঃ আনোয়ারা বেগম (সূর্যমুখী ফুল), মোছাঃ জয়নব বেগম (মাইক), মোছাঃ শাহিদা বেগম (কলম), শেফালী রানী (তালগাছ) বরাদ্দকৃত প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৯৮৮৪জন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।