১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

মুক্তাগাছা তৃতীয় পর্যায়ে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের টাস্কফোর্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

আজ মুক্তাগাছা উপজেলা তৃতীয় পর্যায়ে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা হযরত আলী অডিটরিয়ামে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মনসর সভাপতিত্বে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালিদ এমপি।তৃতীয় পর্যায়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপযুক্ত জমি নির্বাচনের জন্য এসিল্যান্ড, ইউপি চেয়ারম্যান এবং প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে একটি টেকনিক্যাল টিম গঠন করা হয় এবং উপযুক্ত উপকারভোগী বাছাইয়ের জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা,ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা,ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ব্যাক্তিদের সমন্বয়ে ভূমিহীন যাচাইবাছাই কমিটি গঠিত হয়।

এছাড়াও সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি),উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত),সরকারি সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ,ইউপি চেয়ারম্যানগণ,ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাগণ,ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি