১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

মানিকগঞ্জে নৌকা প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মোশারফ হোসেন (মানিকগঞ্জ) জেলা প্রতিনিধিঃ

 

রাতের আঁধারে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গাজী হাসান আল মেহেদী সুহাসের (প্রতীক নৌকা) নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২২ নভেম্বর) রাত দেড়টার দিকে ওই ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের বেংরই গ্রামের বাসিন্দা মুদি দোকানদার আলমের বাড়ি অবস্থিত নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গাজী হাসান আল মেহেদী সুহাসের অভিযোৃগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটরসাইকেল প্রতীকের মো: নরুল ইসলাম নুরু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকের রাকিব হোসেন ফরহাদ এবং তাদের লোকজন এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: নরুল ইসলাম নুরুর দাবি, নৌকার প্রার্থী ও তার লোকজন নিজেরাই ঘটনা ঘটিয়ে আমাকে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরিয়ে দিতে নানা ষড়যন্ত্র করছেন। এ ধরনের কোন কাজে আমি জড়িত নই বরং নৌকার প্রার্থী ও তার লোকজন আমাকে হুমকি দিচ্ছে। তিনি বলেন,আমি চাই একটি সুন্দর সুশৃংখল নির্বাচন। জনগণ যেন শান্তিপূর্নভাবে তাদের ভোট দিতে পারেন প্রশাসনের কাছে এটাই আমার প্রত্যাশা বলে তিনি জানান।

স্থানীয় লোকজন ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত দেড়টার দিকে দুইটি মোটরসাইকেলে যোগে ৫ জন দুর্বৃত্ত ১ মিনিটের মধ্যে নবগ্রাম ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী গাজী হাসান আল মেহেদী সুহাসের বেংরই ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলম দোকানদারের বাড়িতে অবস্থিত নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করে। এসময় তারা মুখোষ পড়া অবস্থায় ছিল বলে তাদের কে চিনতে পারেনি বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা মুদি দোকানদার রফিকুল আলম বলেন, সোমবার রাত দেড়টার দিকে দুটি মোটরসাইকেল নির্বাচনী ক্যাম্পের পাশে থামিয়ে ভাঙচুর করে চলে যান।আওয়াজ শুনে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। সেখানে পৌঁছানোর আগেই মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গাজী হাসান আল মেহেদী বলেন, আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা ভোটের মাঠে টিকতে না পেরে নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছেন। ধারণা করছি, তারই অংশ হিসেবে তাদের লোকজন আমার নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানান তিনি।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।এ বিষয়ে এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক