২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

মাধবপুরে সরকারি আইন অমান্য করায় ৬টি দোকানের জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে সরকারি আইন অমান্য করে মিষ্টির দোকান সহ চায়ের স্টল খোলা রাখার দায়ে ২৮ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বুধবার ২৫ মার্চ সকালে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনুভা নাশতারান পৌর শহরের বনিক মিষ্টান্ন ভান্ডার, জয়গুরু মিষ্টান্ন ভান্ডার সহ ৬ দোকানে অভিযান চালিয়ে সরকারি আইন অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অপরাধে ২৮ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করেন।

 

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনুভা নাশতারান জানান, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জেলা ও উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঔষধের দোকান, কাঁচাপণ্য ও নিত্য পণ্যের দোকান ব্যতিত মাধবপুরের সকল ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হোটেল রেস্তোরা গত ২৪ মার্চ মঙ্গলবার থেকে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

কিন্তু এর পরেও অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের দোকান খুলেছেন, এই অভিযোগে মাধবপুর পৌর শহরের দুইটি মিষ্টির দোকান সহ ২৮ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছেন। এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

 

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য মঙ্গলবার সকালে মাধবপুর উপজেলা প্রশাসন থেকে পৌর শহর সহ সকল ইউনিয়নের ঔষধের দোকান ব্যতিত সকল প্রকার দোকান বন্ধ রাখার জন্য নোটিশ করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি