১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

মাদকমুক্ত ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: যুবলীগ নেতা ইনোকী।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নাজিরুল ইসলাম, শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:

গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় ফুটবল খেলায় যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করতে উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের চালক উন্নয়ন সমিতির সদস্যদের হাতে ফুটবল তুলে দেয়া হয়েছে।

 

গোহাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নৌকা প্রতিক মনোনয়ন প্রত্যাশি, গোহাইল ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি এবং শাজাহানপুর উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আলী ইমাম ইনোকী ব‍্যক্তিগত উদ্যোগে ফুটবল বিতরন করার সময় সমিতির সদস্যদের উদ্দেশ্য বলেন; যুবসমাজকে সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তোমাদের যেকোনো প্রয়োজনে পূর্ব হতেই ছিলাম এখনো সব সময় তোমাদের পাশেই থাকতে চাই ইনশাআল্লাহ। একদিন তোমরাই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী দিনে নেতৃত্ব দিবে।

 

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে গোহাইল বাসস্ট্যান্ডে ফুটবল বিতরনীতে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন এই যুবলীগ নেতা।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন গোহাইল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তাজনুর রহমান শাহীন, শাহীন কোব্বাত, এনামুল হক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি বাদশা মিয়া ও ইব্রাহিম হোসেন, বন্দর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রায়হান আলী, মানিক হোসেন, রাকিব, তারেক, আনারুল, শাহীন সহ আরও অনেকেই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি