২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

মাটিরাঙ্গায় লেক থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আবদুল জলিল, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ।

 

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ইছাছড়া এলাকায় দুই পাহাড়ের ঢালুতে সৃষ্টি হওয়া লেক থেকে মো. নুর নবী (২৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (২৭ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে মাটিরাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে একটি দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।

 

মো. নুর নবী মাটিরাঙা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের ইছাছড়া এলাকার মো. আবুল কালামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন চাষী।

 

স্বজনরা জানায়, মো. নুর নবী বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরের দিকে জমিতে দেয়ার জন্য কীটনাশক সঙ্গে নিয়ে বের হয়। কিন্তু রাত হয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় প্রতিবেশি ও স্বজনরা খোঁজাখুজি শুরু করে। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে লেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান মা রহিমা বেগম। পরে স্থানীয় কাউন্সিলরের মাধ্যমে মাটিরাঙ্গা থানায় খবর দেয়া হয়।

 

 

মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলী বলেন, মরদেহের কোমড়ে লুঙ্গিতে মোড়ানো অবস্থায় কীটনাশক পাউডারের প্যাকেট ও একটি বিষের বোতল পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে সে বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আত্মহত্যার কারণ উদঘাটনে তদন্ত করা হচ্ছে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি