২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

মাগুরায় ৩০হাজার করোনা প্রতিরোধের গণটীকা প্রদান,

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাগুরার ৪টি উপজেলার ৩৬ টি ইউনিয়নের ১০৮ টি ও ১টি পৌরসভার ৯টি বুথসহ মোট ১১৭টি বুথে ৭আগষ্ট শনিবার ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে ৩০ হাজারেরো বেশি করোনা প্রতিরোধের গণটীকা প্রদান করা হয়েছে ।
এই কর্মসূচিতে বয়স্ক ব্যক্তি, নারী ও শারিরীক প্রতিবন্ধীরা অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। প্রতিটি ইউনিয়নে ৬০০ জনকে করোনা টীকার প্রথম ডোজ প্রদান করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন কারণে টীকা নাপেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

করোনার গণটীকাদান কর্মসূচী উপলক্ষ্যে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত টীকাদান কর্মসূচি পরিদর্শন করেন মাগুরার জেলা প্রশাসক ড.আশরাফুল আলম, সিভিল সার্জন ডাঃ শহীদুল্লাহ দেওয়ান, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাগুরার উপ-পরিচালক মোজাম্মেল হক, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিউজা উল জান্নাহ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্যামানন্দ কুণ্ডু, শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রঈসউজ্জামান, দ্বারিয়াপুর ইউনিয়নের জাকির হোসেন কানন, শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুসাফির নজরুলসহ আরো অনেকে। পরিদর্শন শেষে তারা সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
দ্বারিয়াপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন কাননের সার্বিক তত্ত্বাবধানে দ্বারিয়াপুর ইউনিয়নে আয়োজিত এ এ টীকা দান কর্মসূচি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলে। সকাল থেকেই দলে দলে বয়োবৃদ্ধ নারী-পুরুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে টীকা নিতে হাজির হয় এবং টীকা গ্রহণ করেন।
তবে টীকা না পেয়ে বয়োবৃদ্ধো ও নারীরাসহ অনেকেই আমাদের প্রতিনিধির নিকট ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
মাগুরার সিভিল সার্জন ডাঃ শহীদুল্লাহ্ দেওয়ান জানান-মাগুরা জেলার ৩৬টি ইউনিয়নে ১০৮টি বুথ ও ১টি মাত্র পৌরসভার ৯টি বুথসহ ১১৭টি বুথের প্রত্যেকটি বুথেই টার্গেটের চেয়ে বেশি টীকা প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরো জানান- জেলাতে আমাদের টার্গেট ছিলো ২৩ হাজার ৬শত টীকা প্রদান করা,কিন্তু সেখানে টীকা প্রদান করা হয়েছে ৩০ হাজারের উপরে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি