১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

মহম্মদপুরে ছাত্র-ছাত্রী বিহীন চলছে এমপিও প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মহম্মদপুরে ছাত্র-ছাত্রী বিহীন চলছে এমপিও প্রতিষ্ঠান

মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার মৌশা মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সরকার কর্তৃক এমপিওভুক্ত বিদ্যালয় থাকলেও নেই শিক্ষার্থী। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়মিত জাতীয় পতাকা উড়ালেও ক্লাসে পাওয়া যায়না পর্যাপ্ত শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী । অথচ শিক্ষক হাজিরা খাতায় নিয়মিত স্বাক্ষর দিচ্ছেন শিক্ষকরা। অবিশ্বাস্য হলেও এভাবেই চলছে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার মৌশা মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠান।

সরেজমিনে একাধীকবার গিয়ে দুই তিন জন শিক্ষকের দেখা পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি ছাত্র-ছাত্রী । মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, অভিভাবক ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, ১৯৮৪ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি এমপিওভুক্তি হয় ১৯৮৭ সালে।
বেশ কয়েক বছর সুনামের সঙ্গে পরিচালনা করলেও সাবেক সুপার এবং শিক্ষকদের অনিয়মও গ্রামীন দলীয় রেশারেশির কারণে শিক্ষার্থীশূন্য হয়ে পড়েছে মাদ্রাসাটি।
স্থানীয়রা জানান, এমপিও হওয়ার পরে সুনামের সাথে মাদ্রাসাটিতে পড়ালেখা হতো তবে গত ১০ বছর ধরে মাদ্রাসাটিতে শিক্ষার মান নেই, ছাত্র ছাত্রী আসেনা স্যাররা কয়েকজন আসে দুপুরের আগেই চলে যায়।
গত ১২মে এবং ১৬মে সকাল ১০.৩০ টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে ঐ মাদ্রাসায় কোনো শিক্ষার্থীও শিক্ষক পাওয়া যায়নি। তবে ১৯ মে মাদ্রাসার মাদ্রাসার শিক্ষক এবং ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী সহ শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ভারপ্রাপ্ত সুপার মোঃ তৌয়ব বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে কাম্য শিক্ষার্থী আছে এবং শিক্ষার মান ভালো আছে, এছাড়া শিক্ষার্থীর উপস্থীতির বিষয় জানতে চাইলে এড়িয়ে যান।
মাগুরা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মাদ আনোয়ার হোসেন অত্র প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে সরজমিতে ভিজিট করেন এবং অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন। মাদ্রাসাটিতে প্রতি শ্রেনীতে ছাত্র-ছাত্রী উপস্থীতি ছিলো ৩/৪ জন এছাড়া লুঙ্গী পরিহিত শিক্ষার্থীও পাওয়া গিয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মাদ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি মৌশা মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় গিয়েছিলাম শিক্ষার্থী উপস্থিতি একদম সীমিত। তিনি আরো বলেন উর্ধতন কর্মকর্তা সাথে আলোচনা করে যথাযত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি