১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

মন্দিরে মন্দিরে উদযাপিত হচ্ছে মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

কয়রার বিভিন্ন মন্দিরে মন্দিরে উদযাপিত হচ্ছে মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব।

 

শ্রীকৃষ্ণের প্রাচীনতম উল্লেখ পাওয়া যায় বৈদিক সাহিত্যে। ঋগ্বেদে একাধিকবার শ্রী কৃষ্ণের উল্লেখ আছে। মহাভারত, বিভিন্ন পূরাণ, শ্রীমদ্ভাগবত এবং বৈষ্ণবকাব্যে কৃষ্ণের কাহিনী বর্ণত হয়েছে। তার আবির্ভাব দ্বাপর যুগে।

৫০০০ (পাঁচ হাজার) বছর পূর্বে ৩২২৮ খ্রীস্টপূর্বাব্দের ১৮ জুলাই দেবকীর গর্ভে জন্ম হয়েছিল ভগবান শ্রী কৃষ্ণের। দ্বাপর যুগের এই দিনে পাশবিক শক্তি যখন সত্য, সুন্দর ও পবিত্রতাকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছিল তখন সেই অসুন্দর, অসুর ও দানবীয় পাশবিক শক্তিকে দমন করে মানবজাতিকে পূনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটেছিল মহাবতার রূপে।

সৌর ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে যখন রোহিনী নক্ষত্রের প্রাধান্য হয় তখন জন্মাষ্টমী পালিত হয়। ভগবান শ্রী কৃষ্ণের আবির্ভাব তিথিকে কেন্দ্র করে ভক্তরা উপবাস থেকে মন্দিরে মন্দিরে জন্মাষ্টমীতে ভগবান শ্রী কৃষ্ণের আরাধনা, পূজা-অর্চনা, গীতাযজ্ঞ, জন্মাষ্টমী মিছিল, কৃষ্ণপূজা, তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন ইত্যাদি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে কয়রা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, যুব ও ছাত্র ঐক্য পরিষদ, মতুয়া ভক্ত পরিষদ সহ সকল ধর্মীয় সংগঠনের সহায়তায় উপজেলা সদরে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য ধর্মীয় শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়ে থাকে। কিন্তু এবছর মহামারী করোনা পরিস্থিতির কারণে ধর্মীয় শোভাযাত্রার আয়োজন করা হচ্ছেনা বলে জানিয়েছেন কয়রা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক দিলীপ কুমার বৈরাগী।

 

ভগবান শ্রী কৃষ্ণের বাণী ছড়িয়ে যাক সভার মাঝে, তার নির্দেশিত পথে হোক আমাদের চলার পথের পাথেয়। তার আলোয় উদ্ভাসিত হোক ভূবণ, দূর হোক জরা, ব্যাধি, হিংসা- দ্বেষ। আজকের এ-ই পূর্ণ তিথিতে ভগবানের সাথে আমাদের চিন্ময় সম্পর্ক গড়ে উঠুক, সকল সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রার্থনা হোক মানবতার জয়গানের।

 

করা, খুলনা প্রতিনিধি

তারিখ ঃ- ৩০/০৮/২১ ইং।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি